০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ২৪০৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মো. মাহমুদুল হাসান রতন সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে অনুমোদন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’। তবে কয়েক বছর পার হতেই পত্রিকাটির মালিকানা এবং শীর্ষ পদ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা।

পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছাপাখানা হিসেবে ‘সবুজ প্রিন্টিং প্রেস’-এর নাম উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেখানে পত্রিকাটির কোনো কার্যক্রম নেই। অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহের আঞ্চলিক পত্রিকা হওয়া সত্ত্বেও এটি ঢাকার আরামবাগ মতিঝিলসহ বিভিন্ন প্রেসে ছাপা হচ্ছে। এমনকি আঞ্চলিক পত্রিকা হয়েও জাতীয় পত্রিকার পরিচয় দিয়ে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক কে—তা নিয়ে চলছে লুকোচুরি। সরকারি নথিতে একজনের নাম থাকলেও বাস্তবে অন্য ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালনের দাবি করছেন। মো. মাহমুদুল হাসান রতন দাবি করেছেন, ২০২২ সালে তিনি তার বোন মোছাঃ ইয়াছমিন শিলার কাছে প্রকাশনার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইয়াসমিন শিলা ও মাহমুদুল হাসান রতন সহোদর কিংবা নিকটাত্মীয় নন। ইয়াসমিনের বাড়ি ত্রিশালে এবং রতনের বাড়ি নেত্রকোণা জেলায়। মূলত ইয়াসমিন শিলা জনৈক খায়রুল আলম রফিকের স্ত্রী।

রতনের ভাষ্যমতে, ইয়াসমিন শিলা খায়রুল আলম রফিককে প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৭ জুলাই রফিক নিজেকে সম্পাদক পরিচয় দিয়ে লায়ন মো. মির্জা সোবেদ আলী (রাজা)-কে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন। একজন নিজেই নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে অন্য একজনকে কীভাবে নিয়োগ দেন— তা নিয়ে সংবাদ পাড়ায় নতুন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

মালিকানা ও পদের এই দ্বন্দ্বে তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি ও পাঠকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী জানান, এই অস্থিতিশীলতা চলতে থাকলে সংবাদপত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যাহত হবে।

ইতোমধ্যেই এই মালিকানা সংকটের বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন মো. শহিদুল ইসলাম। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকাটি যেখান থেকে ডিক্লারেশন নিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেখান থেকেই ছাপাতে হবে। আইন অমান্য করার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা, আসল মালিক কে?

আপডেট সময় : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে মো. মাহমুদুল হাসান রতন সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে অনুমোদন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’। তবে কয়েক বছর পার হতেই পত্রিকাটির মালিকানা এবং শীর্ষ পদ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম নাটকীয়তা ও ধোঁয়াশা।

পত্রিকাটির প্রিন্টার্স লাইনে ছাপাখানা হিসেবে ‘সবুজ প্রিন্টিং প্রেস’-এর নাম উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেখানে পত্রিকাটির কোনো কার্যক্রম নেই। অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহের আঞ্চলিক পত্রিকা হওয়া সত্ত্বেও এটি ঢাকার আরামবাগ মতিঝিলসহ বিভিন্ন প্রেসে ছাপা হচ্ছে। এমনকি আঞ্চলিক পত্রিকা হয়েও জাতীয় পত্রিকার পরিচয় দিয়ে বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।

বর্তমানে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক কে—তা নিয়ে চলছে লুকোচুরি। সরকারি নথিতে একজনের নাম থাকলেও বাস্তবে অন্য ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালনের দাবি করছেন। মো. মাহমুদুল হাসান রতন দাবি করেছেন, ২০২২ সালে তিনি তার বোন মোছাঃ ইয়াছমিন শিলার কাছে প্রকাশনার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইয়াসমিন শিলা ও মাহমুদুল হাসান রতন সহোদর কিংবা নিকটাত্মীয় নন। ইয়াসমিনের বাড়ি ত্রিশালে এবং রতনের বাড়ি নেত্রকোণা জেলায়। মূলত ইয়াসমিন শিলা জনৈক খায়রুল আলম রফিকের স্ত্রী।

রতনের ভাষ্যমতে, ইয়াসমিন শিলা খায়রুল আলম রফিককে প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৭ জুলাই রফিক নিজেকে সম্পাদক পরিচয় দিয়ে লায়ন মো. মির্জা সোবেদ আলী (রাজা)-কে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন। একজন নিজেই নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে অন্য একজনকে কীভাবে নিয়োগ দেন— তা নিয়ে সংবাদ পাড়ায় নতুন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

মালিকানা ও পদের এই দ্বন্দ্বে তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি ও পাঠকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ সংবাদকর্মী জানান, এই অস্থিতিশীলতা চলতে থাকলে সংবাদপত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যাহত হবে।

ইতোমধ্যেই এই মালিকানা সংকটের বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন মো. শহিদুল ইসলাম। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, ‘দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকাটি যেখান থেকে ডিক্লারেশন নিয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী সেখান থেকেই ছাপাতে হবে। আইন অমান্য করার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।