০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলাগুলো এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলাগুলো আগামী এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন। তবে বিচারপ্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং কোনোভাবেই তাড়াহুড়ো করে বিচার সম্পন্ন করা হবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের পর এ পর্যন্ত ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আরও দ্রুত বিচার শেষ করা সম্ভব হলেও, তাতে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক সব মানদণ্ড অনুসরণ করেই বিচারকাজ পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ২০টি মামলা ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার বিচার আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে প্রসিকিউশন কাজ করছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আপিল শুনানির প্রস্তুতিও চলছে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি কোথায় বক্তব্য দিচ্ছেন বা দিচ্ছেন না, সেটি ট্রাইব্যুনালের বিবেচ্য বিষয় নয়। আদালতের আদেশ কার্যকর করতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াই ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব। তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলে রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হতে পারে।

বিচারপ্রক্রিয়ায় বাছাই করে আসামি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে তদন্ত পরিচালনা করেন এবং প্রসিকিউশন সেই তদন্তে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না। কোনো তদন্তে ঘাটতি বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তা পুনঃতদন্তের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, কারও এমন ধারণা থাকতে পারে যে ইচ্ছামতো আসামি করা হচ্ছে, তবে বাস্তবে তদন্তের ভিত্তিতেই আসামি নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর জানান, সারা দেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ৫০৯টি ঘটনার তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যেসব ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তদন্তাধীন অন্যান্য ঘটনাগুলোর তদন্তও দ্রুত সম্পন্ন করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মামলাগুলো এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলাগুলো আগামী এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ করছে প্রসিকিউশন। তবে বিচারপ্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে এবং কোনোভাবেই তাড়াহুড়ো করে বিচার সম্পন্ন করা হবে না বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের পর এ পর্যন্ত ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আরও দ্রুত বিচার শেষ করা সম্ভব হলেও, তাতে বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক সব মানদণ্ড অনুসরণ করেই বিচারকাজ পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ২০টি মামলা ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার বিচার আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে প্রসিকিউশন কাজ করছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আপিল শুনানির প্রস্তুতিও চলছে।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি কোথায় বক্তব্য দিচ্ছেন বা দিচ্ছেন না, সেটি ট্রাইব্যুনালের বিবেচ্য বিষয় নয়। আদালতের আদেশ কার্যকর করতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াই ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব। তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলে রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব হতে পারে।

বিচারপ্রক্রিয়ায় বাছাই করে আসামি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে তদন্ত পরিচালনা করেন এবং প্রসিকিউশন সেই তদন্তে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না। কোনো তদন্তে ঘাটতি বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তা পুনঃতদন্তের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, কারও এমন ধারণা থাকতে পারে যে ইচ্ছামতো আসামি করা হচ্ছে, তবে বাস্তবে তদন্তের ভিত্তিতেই আসামি নির্ধারণ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর জানান, সারা দেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ৫০৯টি ঘটনার তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যেসব ঘটনার তদন্ত শেষ হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তদন্তাধীন অন্যান্য ঘটনাগুলোর তদন্তও দ্রুত সম্পন্ন করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।