০১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগে পরবর্তী শর্ত চাপিয়ে বঞ্চিত করা যাবে না: হাইকোর্ট

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিয়োগের পর প্রণীত কোনো নতুন শর্ত বা বিধি অতীত থেকে কার্যকর দেখিয়ে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এমপিও সংক্রান্ত চার শিক্ষকের করা রিটের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত। ‘মো. আবু হানিফ ও অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মী রহমানের বেঞ্চ এ রায় দেন। সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে আদালত বলেন, চাকরিতে যোগদানের সময় যে বিধিমালা কার্যকর ছিল, সেটিই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার নির্ধারণে প্রাধান্য পাবে। পরবর্তীতে কোনো বিধি বা শর্ত যুক্ত করে আগের নিয়োগপ্রাপ্তদের অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রোজি মোজাম্মেল মহিলা কলেজে অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান, ইংরেজি ও সমাজকল্যাণ বিভাগে প্রভাষক (তৃতীয় শিক্ষক) পদে চারজন নিয়োগ পান। ওই সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের প্রবিধান অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হলে তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিও দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তালিকায় চার শিক্ষকের নাম থাকলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ‘এনটিআরসিএ সনদ নেই’—এই কারণ দেখিয়ে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়।

এরপর ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন চার শিক্ষক।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে বিধিমালা পরিবর্তন করতে পারে। তবে নতুন বিধি বা শর্তের কারণে আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের অর্জিত অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না।

আদালত আরও বলেন, ২০১৫ সালে নিয়োগের সময় এনটিআরসিএ সনদের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ের কলেজ শিক্ষকদের জন্য এই শর্ত পরবর্তীতে ২০১৯ সালের প্রবিধানে যুক্ত করা হয়।

হাইকোর্ট এনটিআরসিএ সনদ না থাকার অজুহাতে চার শিক্ষকের এমপিও আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তাদের এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৬০ দিনের মধ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে প্রাপ্য সব বকেয়া আর্থিক সুবিধাসহ চার শিক্ষকের পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগে পরবর্তী শর্ত চাপিয়ে বঞ্চিত করা যাবে না: হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ১২:৫০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিয়োগের পর প্রণীত কোনো নতুন শর্ত বা বিধি অতীত থেকে কার্যকর দেখিয়ে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এমপিও সংক্রান্ত চার শিক্ষকের করা রিটের পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত। ‘মো. আবু হানিফ ও অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মী রহমানের বেঞ্চ এ রায় দেন। সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে আদালত বলেন, চাকরিতে যোগদানের সময় যে বিধিমালা কার্যকর ছিল, সেটিই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার নির্ধারণে প্রাধান্য পাবে। পরবর্তীতে কোনো বিধি বা শর্ত যুক্ত করে আগের নিয়োগপ্রাপ্তদের অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার রোজি মোজাম্মেল মহিলা কলেজে অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান, ইংরেজি ও সমাজকল্যাণ বিভাগে প্রভাষক (তৃতীয় শিক্ষক) পদে চারজন নিয়োগ পান। ওই সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের প্রবিধান অনুযায়ী তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হলে তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিও দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তালিকায় চার শিক্ষকের নাম থাকলেও চূড়ান্ত পর্যায়ে ‘এনটিআরসিএ সনদ নেই’—এই কারণ দেখিয়ে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়।

এরপর ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন চার শিক্ষক।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে বিধিমালা পরিবর্তন করতে পারে। তবে নতুন বিধি বা শর্তের কারণে আগে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের অর্জিত অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না।

আদালত আরও বলেন, ২০১৫ সালে নিয়োগের সময় এনটিআরসিএ সনদের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ের কলেজ শিক্ষকদের জন্য এই শর্ত পরবর্তীতে ২০১৯ সালের প্রবিধানে যুক্ত করা হয়।

হাইকোর্ট এনটিআরসিএ সনদ না থাকার অজুহাতে চার শিক্ষকের এমপিও আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তাদের এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৬০ দিনের মধ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে প্রাপ্য সব বকেয়া আর্থিক সুবিধাসহ চার শিক্ষকের পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।