০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইরানকে সহায়তাকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানকে সহায়তা করা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তবে ইরানকে সহায়তা করলে নির্দিষ্ট কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো দেশ যদি তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করে, তাহলে সেই দেশকেও কঠিন অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইরানের তেল চোরাচালান, অর্থ লেনদেন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মানি এক্সচেঞ্জ, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

এর আগে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়। এরপরই ট্রাম্প নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের সঙ্গে আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। এর পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করার সতর্কবার্তা দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেল ও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বে পরিবহন করা অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় একটি অংশ এই নৌপথ ব্যবহার করে।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইরানকে সহায়তাকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ১২:২৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ইরানকে সহায়তা করা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তবে ইরানকে সহায়তা করলে নির্দিষ্ট কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো দেশ যদি তাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইরানকে সহায়তা করে, তাহলে সেই দেশকেও কঠিন অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে।

তিনি আরও বলেন, ইরানের তেল চোরাচালান, অর্থ লেনদেন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মানি এক্সচেঞ্জ, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

এর আগে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয়। এরপরই ট্রাম্প নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের সঙ্গে আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। এর পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করার সতর্কবার্তা দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেল ও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বে পরিবহন করা অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় একটি অংশ এই নৌপথ ব্যবহার করে।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।