০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে মামলার কার্যক্রম শেষে আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খানের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভুক্তভোগী আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে মামলার আবেদন করেন।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, মো. আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম ও আরমান হোসেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট বেলা পৌনে ১২টার দিকে যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানি শেষ করেন মোহাইমিনুল ইসলাম খান। পরে মক্কেলদের নিয়ে চেম্বারে ফেরার পথে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানার সামনে তাদের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রথম চার আসামির মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এ সময় তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়।

চিৎকার শুনে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা আইনজীবী ও সাধারণ পথচারীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হামলায় জড়িত অন্যরা পালিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতক ব্যক্তিরা আরও ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করে পুনরায় অতর্কিত হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগে মামলা

আপডেট সময় : ১২:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে মামলার কার্যক্রম শেষে আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খানের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভুক্তভোগী আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে মামলার আবেদন করেন।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, মো. আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম ও আরমান হোসেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৫ আগস্ট বেলা পৌনে ১২টার দিকে যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানি শেষ করেন মোহাইমিনুল ইসলাম খান। পরে মক্কেলদের নিয়ে চেম্বারে ফেরার পথে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানার সামনে তাদের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, প্রথম চার আসামির মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। এ সময় তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়।

চিৎকার শুনে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা আইনজীবী ও সাধারণ পথচারীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ছয়জনকে হাতেনাতে আটক করে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হামলায় জড়িত অন্যরা পালিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতক ব্যক্তিরা আরও ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করে পুনরায় অতর্কিত হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।