০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সৌরবিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক অর্থায়নে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএমইসি কাজ শুরু করেছে। আমিনবাজারের এ প্রকল্প থেকে আগামী দেড় বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।

প্রকল্পটির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীন সফরে যাওয়ার কথা জানান মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে আমিনবাজার ল্যান্ডফিল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে চীনের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহার ও জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে নেট মিটারিংয়ের সুবিধা নেওয়া যাবে। এ খাতে চীনের বিভিন্ন ব্যাংক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বর্জ্য থেকে ৪০-৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা

ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে জমে থাকা বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে চীনের পাওয়ারচায়না কোম্পানিকে দ্রুত কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটির ল্যান্ডফিলের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে।

আমিনবাজারের ৪২ মেগাওয়াট প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এরই মধ্যে প্রকল্পের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সরকারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে। প্রকল্পটি ১৮ মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

সে হিসাবে ২০২৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি। এ প্রকল্পে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট প্রায় ২১ টাকা ৭০ পয়সা হলেও পরিবেশ সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয় বিবেচনায় এটি লাভজনক হবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

দাসেরকান্দি প্রকল্পেও চীনা অর্থায়নের সম্ভাবনা

ঢাকার দাসেরকান্দি পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহের কথাও জানান মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, প্রকল্পটির মাত্র ৩০ শতাংশ কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাকি ৭০ শতাংশ কাজ শেষ করতে চীন ঋণ বা অনুদানের মাধ্যমে অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকার পয়োনিষ্কাশন সংযোগ স্থাপনের জন্য সরকার প্রায় এক হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। চীনা বিনিয়োগ পাওয়া গেলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমবে বলে জানান তিনি।

তিন বস্তিতে আধুনিক আবাসন নির্মাণে চীনের বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

এদিকে রাজধানীর করাইল, সাততলা ও ভাষানটেক বস্তিতে আধুনিক আবাসন নির্মাণে চীনের বিনিয়োগ চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে বস্তিবাসীদের জন্য আধুনিক আবাসন সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে চীনের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি জানান, একসঙ্গে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব না হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একই প্রস্তাব বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত আবাসন প্রকল্পে ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ছোট ছোট ইউনিটে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় বসবাসকারীদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সৌরবিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন

আপডেট সময় : ১২:২৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক অর্থায়নে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএমইসি কাজ শুরু করেছে। আমিনবাজারের এ প্রকল্প থেকে আগামী দেড় বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।

প্রকল্পটির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চীন সফরে যাওয়ার কথা জানান মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে আমিনবাজার ল্যান্ডফিল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চীনের সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে চীনের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহার ও জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে নেট মিটারিংয়ের সুবিধা নেওয়া যাবে। এ খাতে চীনের বিভিন্ন ব্যাংক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বর্জ্য থেকে ৪০-৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা

ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে জমে থাকা বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে চীনের পাওয়ারচায়না কোম্পানিকে দ্রুত কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটির ল্যান্ডফিলের বর্জ্য কাজে লাগিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে।

আমিনবাজারের ৪২ মেগাওয়াট প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এরই মধ্যে প্রকল্পের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সরকারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে। প্রকল্পটি ১৮ মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার কথা রয়েছে।

সে হিসাবে ২০২৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি। এ প্রকল্পে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট প্রায় ২১ টাকা ৭০ পয়সা হলেও পরিবেশ সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর বিষয় বিবেচনায় এটি লাভজনক হবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

দাসেরকান্দি প্রকল্পেও চীনা অর্থায়নের সম্ভাবনা

ঢাকার দাসেরকান্দি পয়োনিষ্কাশন শোধনাগার প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহের কথাও জানান মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, প্রকল্পটির মাত্র ৩০ শতাংশ কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাকি ৭০ শতাংশ কাজ শেষ করতে চীন ঋণ বা অনুদানের মাধ্যমে অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকার পয়োনিষ্কাশন সংযোগ স্থাপনের জন্য সরকার প্রায় এক হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। চীনা বিনিয়োগ পাওয়া গেলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর চাপ কমবে বলে জানান তিনি।

তিন বস্তিতে আধুনিক আবাসন নির্মাণে চীনের বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ

এদিকে রাজধানীর করাইল, সাততলা ও ভাষানটেক বস্তিতে আধুনিক আবাসন নির্মাণে চীনের বিনিয়োগ চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে বস্তিবাসীদের জন্য আধুনিক আবাসন সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে চীনের কাছে এ বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি জানান, একসঙ্গে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব না হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একই প্রস্তাব বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত আবাসন প্রকল্পে ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ছোট ছোট ইউনিটে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় বসবাসকারীদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে এবং কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।