বগুড়ায় কালোবাজারে বিক্রির জন্য মজুদ ১,৬৭৫ বস্তা সার জব্দ
- আপডেট সময় : ০১:৪১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
বগুড়ার আদমদীঘিতে কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা ১ হাজার ৬৭৫ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় সার ডিলার সচিব চন্দ্র সাহাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুটি সার গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার নসরতপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগম।
দুটি গুদামে মজুদ ছিল সার
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, চলতি রোপা আমন মৌসুমে চাঁপাপুর ইউনিয়নের সার ডিলার মেসার্স মঙ্গল চন্দ্র সাহা ও মেসার্স সচিব চন্দ্র সাহার নামে বরাদ্দ করা ডিএপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার নির্ধারিত গুদামে রাখা হয়নি। এসব সার নসরতপুর বাজারের দুটি পৃথক গুদামে মজুদ করা হয়।
কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রি ও অন্যত্র পাচারের উদ্দেশ্যে সারগুলো মজুদ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগে অভিযান
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে দুটি গুদাম ঘেরাও করেন। পরে তারা উপজেলা প্রশাসন ও বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদারকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়।
অভিযান শেষে সচিব চন্দ্র সাহাকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১ হাজার ৬৭৫ বস্তা সার জব্দ করে দুটি গুদাম সিলগালা করা হয়।
অভিযানে উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সজল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জুয়েল রানা, কোরবান আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি বা পাচারের চেষ্টা করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

























