০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু ঝুঁকি: গণমাধ্যমের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, জলাবদ্ধতা ও সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে। এসব ঝুঁকি এবং মানুষের জীবন-জীবিকায় এর প্রভাব কার্যকরভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কোডেক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবা ফারজানা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়। এর সঙ্গে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য, পানি, বসতি, অর্থনীতি ও জীবিকা সরাসরি জড়িত। তাই জলবায়ু বিষয়ক সংবাদে শুধু ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নয়, ঝুঁকিতে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় অভিযোজন উদ্যোগ, সরকারি পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য সমাধানও তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে হবে।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি বলেন, মানসম্মত জলবায়ু প্রতিবেদন তৈরিতে সাংবাদিকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ তথ্যের সমন্বয়ে প্রতিবেদন তৈরি হলে তা নীতিনির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, পটুয়াখালী দেশের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার প্রভাব জেলার কৃষি, মৎস্য, পানি ও মানুষের জীবন-জীবিকায় পড়ছে।

তিন দিনের এ প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, উপকূলীয় ঝুঁকি, অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই এবং জলবায়ু বিষয়ক সংবাদ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

কর্মশালায় পটুয়াখালীর বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও তরুণ জলবায়ু কর্মীসহ ২৫ জন অংশ নিচ্ছেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জলবায়ু ঝুঁকি: গণমাধ্যমের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান

আপডেট সময় : ০১:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, জলাবদ্ধতা ও সুপেয় পানির সংকট বাড়ছে। এসব ঝুঁকি এবং মানুষের জীবন-জীবিকায় এর প্রভাব কার্যকরভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালীর কোডেক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহবুবা ফারজানা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন শুধু পরিবেশগত সংকট নয়। এর সঙ্গে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য, পানি, বসতি, অর্থনীতি ও জীবিকা সরাসরি জড়িত। তাই জলবায়ু বিষয়ক সংবাদে শুধু ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নয়, ঝুঁকিতে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় অভিযোজন উদ্যোগ, সরকারি পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য সমাধানও তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে উপকূলীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে হবে।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি বলেন, মানসম্মত জলবায়ু প্রতিবেদন তৈরিতে সাংবাদিকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ তথ্যের সমন্বয়ে প্রতিবেদন তৈরি হলে তা নীতিনির্ধারণেও ভূমিকা রাখতে পারে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, পটুয়াখালী দেশের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা ও জলাবদ্ধতার প্রভাব জেলার কৃষি, মৎস্য, পানি ও মানুষের জীবন-জীবিকায় পড়ছে।

তিন দিনের এ প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, উপকূলীয় ঝুঁকি, অভিযোজন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই এবং জলবায়ু বিষয়ক সংবাদ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির কৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

কর্মশালায় পটুয়াখালীর বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও তরুণ জলবায়ু কর্মীসহ ২৫ জন অংশ নিচ্ছেন।