০৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ বন্ধ করা হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে রাষ্ট্র আন্তরিকভাবে দাঁড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। কোনো মা যেন সন্তানের জন্য কিংবা কোনো স্ত্রী যেন স্বামীর জন্য চোখের পানি না ফেলেন, সেই নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে।

গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা যত ক্ষমতাবানই হোক, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানান তিনি। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুমের ঘটনায় একজন মানুষকে হারানোর পাশাপাশি তার পরিবারের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক স্বস্তিও কেড়ে নেওয়া হয়।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুক্ত বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয় থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা থাকবে। তবে আইনের নামে মানবাধিকার ও সুবিচার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

রাষ্ট্রপতির মতে, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক এবং নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করেন, সেটিও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র

রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলো অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা বহন করেছে।

এসব পরিবারের মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে বলে জানান তিনি।

তিনি গুমের শিকার ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ অগণিত মানুষের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভিন্নমতাবলম্বীদের অনেকে দীর্ঘদিন ‘আয়নাঘরে’ বন্দি ছিলেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ বন্ধ করা হবে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে রাষ্ট্র আন্তরিকভাবে দাঁড়াবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না

রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। কোনো মা যেন সন্তানের জন্য কিংবা কোনো স্ত্রী যেন স্বামীর জন্য চোখের পানি না ফেলেন, সেই নিশ্চয়তা তৈরি করতে হবে।

গুমের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা যত ক্ষমতাবানই হোক, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানান তিনি। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুমের ঘটনায় একজন মানুষকে হারানোর পাশাপাশি তার পরিবারের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক স্বস্তিও কেড়ে নেওয়া হয়।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুক্ত বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয় থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা থাকবে। তবে আইনের নামে মানবাধিকার ও সুবিচার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতা সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

রাষ্ট্রপতির মতে, একটি দেশের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক এবং নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করেন, সেটিও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র

রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকা পরিবারগুলো অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা বহন করেছে।

এসব পরিবারের মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে বলে জানান তিনি।

তিনি গুমের শিকার ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ অগণিত মানুষের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভিন্নমতাবলম্বীদের অনেকে দীর্ঘদিন ‘আয়নাঘরে’ বন্দি ছিলেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন।