০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণ: দুই যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৯৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক ছাত্রীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে মোহন বিশ্বাস (২০) ও তায়েব মাতুব্বর (২১) নামে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামিমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহন বিশ্বাস ভাঙ্গা উপজেলার হোগলাকান্দী গ্রামের শাহা বিশ্বাসের ছেলে। অপর আসামি তায়েব মাতুব্বর একই গ্রামের রবি মাতুব্বরের ছেলে।

যেভাবে ঘটেছিল ঘটনা

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী মোহন বিশ্বাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ৮ আগস্ট বিকেলে ওই ছাত্রী এক বান্ধবীকে নিয়ে বাড়ি থেকে ঘুরতে বের হন।

পথে একই এলাকার ছিরু মোল্লার দোকানের সামনে পৌঁছালে সেখানে মোহন বিশ্বাস ও তায়েব মাতুব্বর তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। ওই ছাত্রী যেতে রাজি না হলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়।

পরে ভাঙ্গা চৌরাস্তার দিকে যাওয়ার সময় চলন্ত মাইক্রোবাসের পেছনের আসনে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এরপর অপর আসামি তায়েব মাতুব্বরও তাকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে সন্ধ্যার দিকে খাড়াকান্দি মোবাইল টাওয়ারের কাছে ওই ছাত্রীকে নামিয়ে দিয়ে আসামিরা চলে যান।

তদন্ত ও আদালতের রায়

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

পরে আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এরপর তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের সাজা দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণ: দুই যুবকের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ০৪:২১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এক ছাত্রীকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে মোহন বিশ্বাস (২০) ও তায়েব মাতুব্বর (২১) নামে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামিমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোহন বিশ্বাস ভাঙ্গা উপজেলার হোগলাকান্দী গ্রামের শাহা বিশ্বাসের ছেলে। অপর আসামি তায়েব মাতুব্বর একই গ্রামের রবি মাতুব্বরের ছেলে।

যেভাবে ঘটেছিল ঘটনা

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসাছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী মোহন বিশ্বাসের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ৮ আগস্ট বিকেলে ওই ছাত্রী এক বান্ধবীকে নিয়ে বাড়ি থেকে ঘুরতে বের হন।

পথে একই এলাকার ছিরু মোল্লার দোকানের সামনে পৌঁছালে সেখানে মোহন বিশ্বাস ও তায়েব মাতুব্বর তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বলেন। ওই ছাত্রী যেতে রাজি না হলে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়।

পরে ভাঙ্গা চৌরাস্তার দিকে যাওয়ার সময় চলন্ত মাইক্রোবাসের পেছনের আসনে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এরপর অপর আসামি তায়েব মাতুব্বরও তাকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে সন্ধ্যার দিকে খাড়াকান্দি মোবাইল টাওয়ারের কাছে ওই ছাত্রীকে নামিয়ে দিয়ে আসামিরা চলে যান।

তদন্ত ও আদালতের রায়

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

পরে আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এরপর তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের সাজা দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।