০২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

আনন্দের বন্যা বইছে গাজা থেকে কানাডা পর্যন্ত

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
  • / ১৮৫৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরাইলে প্রথমবারের মতো ইরানের সরাসরি হামলা চালানোর পর উল্লাসে মেতেছে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। ইরানের পাশাপাশি আনন্দের বন্যা বয়ে যায় ইরাক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং অবরুদ্ধ গাজা থেকে কানাডার টরন্টো পর্যন্ত।

হামলার খবর প্রকাশের পরই ইরানের রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। পতাকা হাতে রাজধানী তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জড়ো হন তারা। নেচে-গেয়ে প্রকাশ করেন আনন্দ উল্লাস। এ সময়, ‘ডেথ টু ইসরাইল’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয় ইরানের রাজপথ। উল্লাস প্রকাশে আতশবাজিও ছোড়ে অনেকে। তেহরানে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাস ও ফিলিস্তিন স্কয়ারে আনন্দ মিছিল করেন অনেক ইরানি। ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে বহু মানুষকে ইরানের পতাকা হাতে দেখা যায়। ফিলিস্তিনের বড় একটি পতাকা নিয়ে অনেকেই জড়ো হন তেহরানের ফিলিস্তিন স্কয়ারে। ইসরাইল ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এ হামলা চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানান তারা। সংহতি জানান গাজার নিপীড়িত মানুষের প্রতি। এই হামলা ইরান তথা বিশ্ববাসীর জন্য জরুরি ছিল বলে মন্তব্য করেন তারা। ইরানের হামলার খবরে বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়েন প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের জনগণও। খুশিতে তারা রাজধানী বাগদাদ ও কারবালাসহ বিভিন্ন শহরের রাজপথে নেমে ইরান, ইরাক আর ফিলিস্তিনির পতাকা নিয়ে নেচে-গেয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকেন। একইভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কানাডার টরেন্টো শহরের বাসিন্দারা। তেমনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম শহরের আরব নাগরিকরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আনন্দের বন্যা বইছে গাজা থেকে কানাডা পর্যন্ত

আপডেট সময় : ০২:৩০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

ইসরাইলে প্রথমবারের মতো ইরানের সরাসরি হামলা চালানোর পর উল্লাসে মেতেছে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা। ইরানের পাশাপাশি আনন্দের বন্যা বয়ে যায় ইরাক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং অবরুদ্ধ গাজা থেকে কানাডার টরন্টো পর্যন্ত।

হামলার খবর প্রকাশের পরই ইরানের রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার মানুষ। পতাকা হাতে রাজধানী তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জড়ো হন তারা। নেচে-গেয়ে প্রকাশ করেন আনন্দ উল্লাস। এ সময়, ‘ডেথ টু ইসরাইল’ স্লোগানে প্রকম্পিত হয় ইরানের রাজপথ। উল্লাস প্রকাশে আতশবাজিও ছোড়ে অনেকে। তেহরানে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাস ও ফিলিস্তিন স্কয়ারে আনন্দ মিছিল করেন অনেক ইরানি। ব্রিটিশ দূতাবাসের সামনে বহু মানুষকে ইরানের পতাকা হাতে দেখা যায়। ফিলিস্তিনের বড় একটি পতাকা নিয়ে অনেকেই জড়ো হন তেহরানের ফিলিস্তিন স্কয়ারে। ইসরাইল ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এ হামলা চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানান তারা। সংহতি জানান গাজার নিপীড়িত মানুষের প্রতি। এই হামলা ইরান তথা বিশ্ববাসীর জন্য জরুরি ছিল বলে মন্তব্য করেন তারা। ইরানের হামলার খবরে বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়েন প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের জনগণও। খুশিতে তারা রাজধানী বাগদাদ ও কারবালাসহ বিভিন্ন শহরের রাজপথে নেমে ইরান, ইরাক আর ফিলিস্তিনির পতাকা নিয়ে নেচে-গেয়ে আনন্দ-উল্লাস করতে থাকেন। একইভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কানাডার টরেন্টো শহরের বাসিন্দারা। তেমনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম শহরের আরব নাগরিকরা।