৩ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা ফেরাতে কেন দেরি, জানাল মিয়ানমার
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের আশ্রয়শিবির থেকে ৩ লাখ ৯ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানালেও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে আরও সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হতে পারে।
রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রাখাইনের পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। প্রত্যাবাসনের পুরো বিষয়টিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় ইস্যু হিসেবেও উল্লেখ করেছে তারা।
মিয়ানমারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ রোহিঙ্গার তথ্য নেইপিদোর কাছে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে মিয়ানমার।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু হয়। প্রাণ বাঁচাতে সে সময় প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। বর্তমানে তাদের বড় অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে অবস্থান করছে।
এদিকে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির তীব্র সংঘাত চলছে। সিতওয়ে ও কয়েকটি এলাকা ছাড়া রাখাইনের অধিকাংশ অঞ্চল বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংগঠনটি রাখাইনকে স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করছে।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে সে সময় কোনো রোহিঙ্গা বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরে যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স























