হাজিদের কোনো কষ্ট সহ্য করা হবে না: ধর্মমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, আল্লাহর মেহমান হজযাত্রীরা যেন কোনো ধরনের কষ্ট, অবহেলা বা জুলুমের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। হজযাত্রীদের সেবায় বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় ৩০টি অ্যালায়েন্স বা লিড এজেন্সির অনুকূলে হজযাত্রী কোটা বণ্টনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
হাজিদের সেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব
ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রীই তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়েন। হাজিদের সেবায় ধর্ম মন্ত্রণালয় সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কোনো হাজি যাতে ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ
ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কাজে ভুলত্রুটি হলে একে অপরের দোষ খোঁজার পরিবর্তে দ্রুত সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের সব বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে হজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বা কাজের জন্য কেউ এলে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। কাউকে অযথা ঘোরানো বা হয়রানি করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে সিংহভাগ হজযাত্রী
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের সিংহভাগ বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তাই এজেন্সিগুলোর কাজের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে।
তিনি বলেন, হজ কার্যক্রম ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি আমানত। সবাইকে নিজেদের ‘খাদিম’ বা সেবক মনে করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার জানান, সৌদি সরকারের প্রাথমিক নির্ধারণ অনুযায়ী বাংলাদেশের ২০২৭ সালের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এই কোটা থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।
সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


























