হজ কার্যক্রমে আরও ৩৮ এজেন্সিকে অনুমতি দিল সরকার
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে আরও ৩৮টি হজ এজেন্সিকে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে সরকার। ষষ্ঠ পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে যোগ্য হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ষষ্ঠ পর্যায়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগে পাঁচ দফায় ৬৪২টি এজেন্সিকে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। নতুন ৩৮টি যুক্ত হওয়ায় অনুমোদিত এজেন্সির সংখ্যা দাঁড়াল ৬৮০টি।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শর্ত অনুযায়ী, যোগ্য তালিকায় থাকা কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিবন্ধনের আগে যোগ্য এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ বা অ্যালায়েন্স গঠন করতে হবে।
সৌদি সরকারের নির্ধারিত এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সি বা লিড এজেন্সি হজযাত্রী সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে।
প্রতি ৪৪ হজযাত্রীর জন্য একজন গাইড
এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব ও প্যাকেজের মূল্য উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রত্যেক এজেন্সিকে ন্যূনতম ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। প্রতি ৪৪ জনের জন্য আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন ও হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজন গাইড নিয়োগ দিতে হবে। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তাঁর পাসপোর্ট ও হজ পরিচালনার অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে।
অনিবন্ধিত ব্যক্তিকে নেওয়া যাবে না
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না। কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নিলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যোগ্য তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে শাস্তি হলে তাদের নামও তালিকা থেকে বাতিল করা হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে এজেন্সিগুলোকে যোগ্য তালিকায় রাখা হয়েছে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন করতে হবে।
প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।
যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সি ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পরবর্তী সময়ে কোনো এজেন্সি যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হবে।






















