হামজা চৌধুরী কি লেস্টার সিটি ছাড়ছেন?
- আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে দলে ভেড়াতে আগ্রহ দেখিয়েছে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব ডার্বি কাউন্টি। গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ সময়ে লেস্টার সিটি থেকে হামজাকে নেওয়ার চেষ্টা করছে ক্লাবটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর দলবদলবিষয়ক প্রতিবেদক মাইক ম্যাকগ্রাও এই খবর জানিয়েছেন।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর ইউরোপের দলবদলের সময়সীমা শেষ হবে। তাই শেষ মুহূর্তে হামজাকে ঘিরে দলবদলের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
বর্তমানে লেস্টার সিটি ইংলিশ ফুটবলের তৃতীয় স্তর লিগ ওয়ানে খেলছে। অন্যদিকে ডার্বি কাউন্টি খেলছে চ্যাম্পিয়নশিপে। গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নশিপে অষ্টম হয়েছিল তারা। ফলে ডার্বিতে যোগ দিলে হামজা তুলনামূলকভাবে উচ্চস্তরের প্রতিযোগিতায় নিয়মিত খেলার সুযোগ পেতে পারেন।
লেস্টার সিটির যুব একাডেমি থেকে উঠে আসা হামজার মূল দলে অভিষেক হয় ২০১৫ সালে। এরপর ক্লাবটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছেন তিনি। লেস্টারের হয়ে এফএ কাপও জিতেছেন এই বাংলাদেশি মিডফিল্ডার। এছাড়া ধারের চুক্তিতে বার্টন অ্যালবিয়ন, ওয়াটফোর্ড ও শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলেছেন।
তবে লেস্টারে ফেরার পর নিয়মিত একাদশে জায়গা ধরে রাখতে পারছেন না হামজা। গত মৌসুমে লিগে মাত্র ১৭ ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত বদলি হিসেবেই মাঠে নেমেছেন।
হামজার সঙ্গে লেস্টারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। তবে নিয়মিত খেলার সুযোগ না পাওয়ায় এবারের দলবদলেই তাকে বিক্রি করে দিতে পারে লেস্টার।
কোচ রাসেল মার্টিনও হামজার দলবদলের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোর স্কোয়াডেও তাকে রাখা হয়নি। মার্টিন জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও ক্লাব—উভয়ের জন্য ভালো কোনো সুযোগ এলে এবং চুক্তি চূড়ান্ত হলে দলবদল হতে পারে।
ট্রান্সফারমার্কেট-এর হিসাবে হামজা চৌধুরীর বর্তমান বাজারমূল্য ৪ মিলিয়ন ইউরো। রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডের পাশাপাশি রাইট-ব্যাক পজিশনেও খেলতে পারার দক্ষতা তাকে ডার্বি কাউন্টির কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ডার্বির পাশাপাশি বার্মিংহাম সিটি ও শেফিল্ড ইউনাইটেডও হামজাকে নিয়ে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
তবে এখনো হামজা চৌধুরী বা সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে লেস্টার সিটি ছাড়ার বিষয়টি এখনো সম্ভাবনার পর্যায়েই রয়েছে। দলবদলের শেষ সময়ে পরিস্থিতি পরিষ্কার হতে পারে।






















