০১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।

ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেওয়া রায়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁর আইনগত এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছেন। আদালত নীতিটিকে ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বিচারক ভার্গাস বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা বন্ধের এ নীতি প্রচলিত মার্কিন আইনি কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অভিবাসী ভিসা আবেদন যাচাই ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যকর করা ওই নীতির আওতায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে, বসনিয়া ও আলবেনিয়াসহ মোট ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলেরও বেশ কয়েকটি দেশ এ তালিকায় ছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের যুক্তি ছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এ কারণেই তাঁদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করা হয়েছিল।

অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদারসহ বিভিন্ন পক্ষের করা মামলার পর এ রায় দিলেন বিচারক ভার্গাস। মামলায় সংশ্লিষ্ট ৭৫ দেশের ভিসা আবেদনকারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষে আবেদন করা কয়েকজন মার্কিন নাগরিকও ছিলেন।

রায়ের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে তাঁর প্রশাসন। সরকারের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য দেশের নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, কঠোর নীতির কারণে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আইনি অধিকার ও সমান আচরণ পাওয়ার বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

আপডেট সময় : ১১:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।

ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেওয়া রায়ে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁর আইনগত এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছেন। আদালত নীতিটিকে ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেছেন।

বিচারক ভার্গাস বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা বন্ধের এ নীতি প্রচলিত মার্কিন আইনি কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অভিবাসী ভিসা আবেদন যাচাই ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যকর করা ওই নীতির আওতায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে, বসনিয়া ও আলবেনিয়াসহ মোট ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলেরও বেশ কয়েকটি দেশ এ তালিকায় ছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের যুক্তি ছিল, এসব দেশের আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এ কারণেই তাঁদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করা হয়েছিল।

অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদারসহ বিভিন্ন পক্ষের করা মামলার পর এ রায় দিলেন বিচারক ভার্গাস। মামলায় সংশ্লিষ্ট ৭৫ দেশের ভিসা আবেদনকারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পক্ষে আবেদন করা কয়েকজন মার্কিন নাগরিকও ছিলেন।

রায়ের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে তাঁর প্রশাসন। সরকারের দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য দেশের নিরাপত্তা জোরদার করা। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, কঠোর নীতির কারণে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আইনি অধিকার ও সমান আচরণ পাওয়ার বিষয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।