বম্বে সুইটসের মসলাসহ ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৪:১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলাসহ ১০টি খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। পরীক্ষাগারে এসব পণ্য বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিএসটিআই।
বিএসটিআই জানিয়েছে, বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারি পাউডার, হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা পরীক্ষায় বিভিন্ন মানদণ্ডে নিম্নমানের প্রমাণিত হয়েছে।
এ ছাড়া বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসব পণ্যের বিএসটিআই লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের এসব পণ্য না কেনার পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।
পরীক্ষায় যা পাওয়া গেছে
নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাজার থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করে বিএসটিআইয়ের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে কয়েকটি পণ্যের মান যথাযথ পাওয়া গেলেও কিছু ঘি, বাটার অয়েল ও মসলার মান নির্ধারিত মানের নিচে পাওয়া যায়।
পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে প্রয়োজনীয় মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিএসটিআই। সংস্থাটির দাবি, পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে ওই পণ্য ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বম্বে সুইটসের মসলাগুলো বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডের (বিডিএস) বিভিন্ন প্যারামিটারে নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে বিএসটিআই
বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল প্রতিরোধে বিএসটিআই নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা কিংবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে হটলাইন ১৬১১৯ নম্বরে অথবা dg@bsti.gov.bd ঠিকানায় জানাতে বলা হয়েছে।






















