০৬:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

তিস্তা নিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাই না: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না সরকার। তবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে বুয়েটে ‘তিস্তা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা পাড়ের মানুষের জন্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সেমিনার হয়েছে। দেশের ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।

তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্পকে সরকার চ্যালেঞ্জিং মনে করছে। এটি বাস্তবায়ন করা না গেলে তিস্তা পাড়ের মানুষ আরও সমস্যার মুখে পড়বেন। নদীর গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী তিস্তার নিয়ন্ত্রণও বাংলাদেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা সমস্যার সমন্বিত সমাধান করা হবে। সরকারের পরিকল্পনা হবে সুদূরপ্রসারী। এ ক্ষেত্রে পানি বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট হোক। আমাদের স্বার্থে তারা নজর দেবেন।’

তিস্তা প্রকল্পে আগ্রহী বিদেশি দেশগুলোর কারিগরি সহায়তাও বাংলাদেশ সাদরে গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, উজানে বিভিন্ন ড্যাম, ব্যারেজ ও বাঁধ নির্মাণের কারণে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে নদীতে নাব্য সংকটের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সেমিনারে জানানো হয়, তিস্তা অববাহিকায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ হেক্টর কৃষিজমির মধ্যে বর্তমানে মাত্র এক লাখ হেক্টর জমিতে পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে খাদ্যশস্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

আলোচনা সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও বুয়েটের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তিস্তা নিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাই না: পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চায় না সরকার। তবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে বুয়েটে ‘তিস্তা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা পাড়ের মানুষের জন্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সেমিনার হয়েছে। দেশের ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে।

তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্পকে সরকার চ্যালেঞ্জিং মনে করছে। এটি বাস্তবায়ন করা না গেলে তিস্তা পাড়ের মানুষ আরও সমস্যার মুখে পড়বেন। নদীর গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী তিস্তার নিয়ন্ত্রণও বাংলাদেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা সমস্যার সমন্বিত সমাধান করা হবে। সরকারের পরিকল্পনা হবে সুদূরপ্রসারী। এ ক্ষেত্রে পানি বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব নষ্ট হোক। আমাদের স্বার্থে তারা নজর দেবেন।’

তিস্তা প্রকল্পে আগ্রহী বিদেশি দেশগুলোর কারিগরি সহায়তাও বাংলাদেশ সাদরে গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, উজানে বিভিন্ন ড্যাম, ব্যারেজ ও বাঁধ নির্মাণের কারণে তিস্তার স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে নদীতে নাব্য সংকটের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সেমিনারে জানানো হয়, তিস্তা অববাহিকায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ হেক্টর কৃষিজমির মধ্যে বর্তমানে মাত্র এক লাখ হেক্টর জমিতে পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে খাদ্যশস্য উৎপাদনে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

আলোচনা সভায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও বুয়েটের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।