পরবর্তী সাক্ষ্য ৩১ আগস্ট
জেআইসিতে গুম-নির্যাতন: ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ
- আপডেট সময় : ০৫:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন সপ্তম সাক্ষী গুমের শিকার নুরে আলমকে জেরা করেন গ্রেপ্তার তিন আসামির পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু এবং শেখ হাসিনার পক্ষে স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবী মো. আমির হোসেন, এম হাসান ইমাম ও সুজাত মিয়া।
এর আগে ১২ আগস্ট নুরে আলম জবানবন্দি দেন। ১৮ আগস্ট তার অবশিষ্ট সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়। জবানবন্দিতে তিনি জানান, ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল নীলফামারীর নিজ বাসা থেকে তাকে গুম করা হয়। পরে জেআইসি-টিএফআই সেলে প্রায় আট মাস আটক রাখার পর একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সাক্ষ্যে তিনি গুম অবস্থায় নির্যাতনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
মামলার ১৩ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।
পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।
অন্য আসামিরা হলেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল-১ প্রসিকিউশনের দেওয়া অভিযোগ আমলে নেন। পরে ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।





















