চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জন, আইনজীবীদের লাগাতার বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৪:১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
ব্যাঞ্চ ও বারের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে চাঁদপুরে তিন বিচারকের আদালত বর্জন করেছেন আইনজীবীরা। একই সঙ্গে বিচারকদের প্রত্যাহারের দাবিতে লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির ব্যানারে বিক্ষোভ করেন আইনজীবীরা। এ সময় তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।
আট দিন ধরে কর্মসূচি
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু। তিনি বলেন, আজসহ আট দিন ধরে তাঁরা কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি।
অ্যাডভোকেট শামছুল ইসলাম মন্টু বলেন, বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে আইনজীবীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। আদালতের কারও সঙ্গে আইনজীবীদের ব্যক্তিগত বিরোধ নেই বলেও জানান তিনি।
তাঁর দাবি, বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে কাজের সমন্বয়ের অভাব থেকেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ
আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেন, কোনো বিচারক আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। তাঁদের দাবিগুলো যুক্তিসংগত হওয়ায় আইনজীবীদের সম্মতিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন তালুকদার ফয়সাল।
বিক্ষোভ মিছিল ও আগের কর্মসূচি
বিক্ষোভ সমাবেশের আগে আইনজীবীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি পুনরায় বিক্ষোভ সমাবেশস্থলে এসে শেষ হয়।
এর আগে ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বিচারকের প্রত্যাহারের দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা।
তারও আগে ৯ সেপ্টেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জরুরি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় সাড়ে চারশ আইনজীবীর উপস্থিতিতে ওই সভায় তিন বিচারকের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যে তিন বিচারকের আদালত বর্জন
আদালত বর্জনের সিদ্ধান্তে থাকা তিন বিচারক হলেন—চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১-এর বিচারক পলাশ বর্ধন এবং সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের বিচারক শম্পা ইসলাম।























