ইসরায়েলকে আরও ৪০ হাজার ভারী বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩২ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের কাছে আরও ৪০ হাজার ভারী ও শক্তিশালী বোমা বিক্রির পরিকল্পনা করেছে। এ অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রস্তাবিত প্যাকেজে ২০ হাজার এমকে-৮৪ (MK-84) এবং ২০ হাজার বিএলইউ-১১৭ বোমা রয়েছে। এর পাশাপাশি ২০ হাজার আই-২০০০ পেনিট্রেটর ওয়ারহেড সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।
মার্কিন অর্থায়নে অস্ত্র কেনার সুযোগ
চুক্তিটির বড় অংশের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফরেন মিলিটারি ফাইন্যান্সিং’ কর্মসূচির মাধ্যমে আসবে। এই ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অর্থ দেয়। সেই অর্থ দিয়ে মার্কিন কোম্পানির কাছ থেকে অস্ত্র কেনে ইসরায়েল।
সম্ভাব্য এই অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুই হাজার পাউন্ডের বোমা
এমকে-৮৪ পশ্চিমা সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারের অন্যতম শক্তিশালী প্রচলিত বোমা। এর ওজন প্রায় ২ হাজার পাউন্ড। বিস্ফোরণে বড় এলাকায় ধ্বংসযজ্ঞ এবং বিপুল পরিমাণ ধাতব টুকরো ছড়িয়ে পড়তে পারে।
গাজা ও লেবাননে এই ধরনের ভারী বোমার ব্যবহার নিয়ে আগে থেকেই সমালোচনা রয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসব অস্ত্র ব্যবহারে বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি নিয়ে মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ জানিয়েছেন।
দুই বছর আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইসরায়েলের জন্য এ ধরনের বোমার একটি চালান স্থগিত করেছিল। পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়।
ইসরায়েলকে ধারাবাহিক অস্ত্র সহায়তা
এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের জন্য বড় অঙ্কের সামরিক সরঞ্জাম অনুমোদন করেছে। গত বছর জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ করে কংগ্রেসের স্বাভাবিক পর্যালোচনা প্রক্রিয়া এড়িয়ে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
চলতি বছরের জানুয়ারিতেও ইসরায়েলের জন্য আরও ৬ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়।
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট অস্ত্র ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করে না। তবে হামলার ভিডিও এবং ধ্বংসস্তূপে পাওয়া বোমার অবশিষ্টাংশ বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা মার্কিন তৈরি ভারী বোমা ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন।
যুদ্ধবিরতির পর গাজায় মূল লড়াইয়ের তীব্রতা কমলেও ইসরায়েলি বিমান হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি





















