নীতিমালার আওতায় দেওয়া হবে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি: সড়কমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:০০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি একটি নীতিমালার আওতায় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ বিষয়ে দ্রুতই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের খনন ও উন্নয়নকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকায় অটোরিকশা চলাচলের বিষয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা প্রয়োজন। নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর ফলে অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ধানমন্ডি লেকে ৮৩ কোটি টাকার উন্নয়ন
মন্ত্রী জানান, ধানমন্ডি লেকের খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে মোট ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পের আওতায় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে ‘নজরুল মঞ্চ’।
নজরুল মঞ্চে একটি লাইব্রেরি স্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ থাকবে। ধানমন্ডি লেকের মনোরম পরিবেশ সংরক্ষণ, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই এসব উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
অটোরিকশা নিয়ে আন্দোলন
এর আগে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ বা নির্বিচারে ডাম্পিং করা হলে ঢাকা অবরুদ্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিক নেতারা। একই সঙ্গে অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করার ঘোষণাও দেন তারা।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ব্যাটারিচালিত রিকশা পুরোপুরি বন্ধ না করে চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বৈধ লাইসেন্স ও রোড পারমিটের আওতায় আনা হোক। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করা মালিকদের অটোরিকশা যাচাই করে বৈধতার সুযোগ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকরা বিক্ষোভ ও মিছিল করেন। পরে বিভিন্ন দিক থেকে মিছিল নিয়ে তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে প্রেস ক্লাব ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভের সময় কাকরাইল মোড়ে সদরঘাট-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ভিক্টর ক্লাসিক গোল্ড সিটি নামে একটি বাসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া আন্দোলন থেকে সরে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা কয়েকজন চালককে আন্দোলনকারীরা মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।




















