০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিএনএনসহ তিন সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাওকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ‘অবিলম্বে’ এসব সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

ট্রাম্পের অভিযোগ, এসব সংবাদমাধ্যম তার প্রশাসন নিয়ে নিয়মিত ‘মিথ্যা ও কাল্পনিক’ খবর প্রকাশ বা প্রচার করে। তবে কোন প্রতিবেদন বা সংবাদের কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নির্দিষ্ট করে জানাননি।

কী বললেন ট্রাম্প

পরে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, এটি ‘খুবই সাধারণ একটি নিষেধাজ্ঞা’। তবে কীভাবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়।

ট্রাম্প আরও জানান, ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টকে ‘ফেক নিউজ’ বলে উল্লেখ করেন।

সিএনএন ও পলিটিকোর প্রতিক্রিয়া

ঘোষণার পরপরই সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করে সিএনএন। এক বিবৃতিতে নেটওয়ার্কটি এটিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর ‘অবৈধ হামলা’ বলে উল্লেখ করে।

সিএনএনের দাবি, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী সরকারি বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের অধিকার তাদের রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে তারা এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে।

পলিটিকোও জানিয়েছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হোয়াইট হাউসের কর্মকাণ্ড নিয়ে তারা ন্যায্যভাবে সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত রাখবে। নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এমএস নাও, যা আগে এমএসএনবিসি নামে পরিচিত ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাংবাদিক সংগঠনের সমালোচনা

হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাকি হেইনরিখও সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় যেসব সাংবাদিককে আলাদাভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, সংগঠনটি তাদের পাশে রয়েছে।

তার ভাষ্য, বিষয়টি শুধু সাংবাদিকদের অধিকারের নয়। মার্কিন জনগণেরও প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড, নীতি ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

পরে ট্রাম্প বলেন, শুক্রবার এই ঘোষণা দেওয়ার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নেই। গত কয়েক বছরের সংবাদ প্রতিবেদন নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

আইনি চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা

সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত আদালতে টিকে থাকবে কি না, সেটি পরবর্তী বিষয়।

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার প্রশাসনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের একাধিকবার বিরোধ হয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউস প্রেস পুলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। এর আগে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই পুল পরিচালনায় ভূমিকা রাখত হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

একই মাসে ‘গালফ অব মেক্সিকো’ নাম ব্যবহারের কারণে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাংবাদিক ও ফটোসাংবাদিকদের ওভাল অফিস ও এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো সীমিত প্রবেশাধিকার থাকা স্থান থেকে দূরে রাখে ট্রাম্প প্রশাসন। এপি এর বিরুদ্ধে মামলা করে, যা এখনও চলমান।

আগেও সিএনএনের সঙ্গে বিরোধ

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরোধ হয়েছিল। সে সময় সিএনএনের প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করা হয়েছিল। পরে সিএনএনের করা মামলার পর তার প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইনস্টিটিউট বলেছে, প্রেস পুলে কোনো সংবাদমাধ্যমকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা সংবাদ প্রকাশের কারণে বাদ দেওয়া হলে তা অসাংবিধানিক হতে পারে।

এদিকে রিপোর্টার্স কমিটি ফর ফ্রিডম অব দ্য প্রেস বলেছে, আদালতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ হলে তা দ্রুত বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংগঠনটির মতে, হোয়াইট হাউস সংবাদ প্রকাশের ধরন পছন্দ না হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারে না।

এর আগেও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প। এসব বিরোধের কয়েকটি মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে বড় অঙ্কের সমঝোতাও হয়েছে। বিবিসির বিরুদ্ধে করা ট্রাম্পের মামলাটি এখনও চলমান।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সিএনএনসহ তিন সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, পলিটিকো ও এমএস নাওকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ‘অবিলম্বে’ এসব সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

ট্রাম্পের অভিযোগ, এসব সংবাদমাধ্যম তার প্রশাসন নিয়ে নিয়মিত ‘মিথ্যা ও কাল্পনিক’ খবর প্রকাশ বা প্রচার করে। তবে কোন প্রতিবেদন বা সংবাদের কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নির্দিষ্ট করে জানাননি।

কী বললেন ট্রাম্প

পরে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, এটি ‘খুবই সাধারণ একটি নিষেধাজ্ঞা’। তবে কীভাবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। এসব প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়।

ট্রাম্প আরও জানান, ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টকে ‘ফেক নিউজ’ বলে উল্লেখ করেন।

সিএনএন ও পলিটিকোর প্রতিক্রিয়া

ঘোষণার পরপরই সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করে সিএনএন। এক বিবৃতিতে নেটওয়ার্কটি এটিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর ‘অবৈধ হামলা’ বলে উল্লেখ করে।

সিএনএনের দাবি, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী সরকারি বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের অধিকার তাদের রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে তারা এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে।

পলিটিকোও জানিয়েছে, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হোয়াইট হাউসের কর্মকাণ্ড নিয়ে তারা ন্যায্যভাবে সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত রাখবে। নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এমএস নাও, যা আগে এমএসএনবিসি নামে পরিচিত ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সাংবাদিক সংগঠনের সমালোচনা

হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাকি হেইনরিখও সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় যেসব সাংবাদিককে আলাদাভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, সংগঠনটি তাদের পাশে রয়েছে।

তার ভাষ্য, বিষয়টি শুধু সাংবাদিকদের অধিকারের নয়। মার্কিন জনগণেরও প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড, নীতি ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তথ্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

পরে ট্রাম্প বলেন, শুক্রবার এই ঘোষণা দেওয়ার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নেই। গত কয়েক বছরের সংবাদ প্রতিবেদন নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।

আইনি চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা

সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত আদালতে টিকে থাকবে কি না, সেটি পরবর্তী বিষয়।

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তার প্রশাসনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের একাধিকবার বিরোধ হয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউস প্রেস পুলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। এর আগে এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই পুল পরিচালনায় ভূমিকা রাখত হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।

একই মাসে ‘গালফ অব মেক্সিকো’ নাম ব্যবহারের কারণে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাংবাদিক ও ফটোসাংবাদিকদের ওভাল অফিস ও এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো সীমিত প্রবেশাধিকার থাকা স্থান থেকে দূরে রাখে ট্রাম্প প্রশাসন। এপি এর বিরুদ্ধে মামলা করে, যা এখনও চলমান।

আগেও সিএনএনের সঙ্গে বিরোধ

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরোধ হয়েছিল। সে সময় সিএনএনের প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করা হয়েছিল। পরে সিএনএনের করা মামলার পর তার প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

সর্বশেষ ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইনস্টিটিউট বলেছে, প্রেস পুলে কোনো সংবাদমাধ্যমকে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বা সংবাদ প্রকাশের কারণে বাদ দেওয়া হলে তা অসাংবিধানিক হতে পারে।

এদিকে রিপোর্টার্স কমিটি ফর ফ্রিডম অব দ্য প্রেস বলেছে, আদালতে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ হলে তা দ্রুত বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংগঠনটির মতে, হোয়াইট হাউস সংবাদ প্রকাশের ধরন পছন্দ না হওয়ার কারণে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করতে পারে না।

এর আগেও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নিউইয়র্ক টাইমস ও বিবিসিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন ট্রাম্প। এসব বিরোধের কয়েকটি মামলায় সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে বড় অঙ্কের সমঝোতাও হয়েছে। বিবিসির বিরুদ্ধে করা ট্রাম্পের মামলাটি এখনও চলমান।