০৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ নিয়ে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে জ্বালানি নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়িক নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২১ জন ব্যবসায়িক নেতা উপস্থিত ছিলেন বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, বৈঠকে দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এবং শিল্প খাতের প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘জ্বালানি নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।’

সৌরবিদ্যুতে বিশেষ গুরুত্ব

বিদ্যুৎ খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বিভিন্ন উৎসকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ল্যান্ডবেজ এলএনজি টার্মিনালের পরিকল্পনা

জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘এফএসআরইউ ছাড়াও ল্যান্ডবেজ টার্মিনালের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।’

বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানিতে ভাসমান স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর পাশাপাশি ল্যান্ডবেজ টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

পুরোনো সমস্যা সমাধানে সময় লাগবে

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মাহদী আমিন। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধানের কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে তৈরি হওয়া পুঞ্জীভূত সমস্যা একদিনে সমাধান সম্ভব নয়। প্রতিটি সমস্যাই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে নতুন সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা আনা। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণ করা। এ জন্য বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জ্বালানি নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে: মাহদী আমিন

আপডেট সময় : ০২:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ নিয়ে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে জ্বালানি নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়িক নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ২১ জন ব্যবসায়িক নেতা উপস্থিত ছিলেন বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, বৈঠকে দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এবং শিল্প খাতের প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, ‘জ্বালানি নিয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।’

সৌরবিদ্যুতে বিশেষ গুরুত্ব

বিদ্যুৎ খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বিভিন্ন উৎসকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

ল্যান্ডবেজ এলএনজি টার্মিনালের পরিকল্পনা

জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পাশাপাশি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘এফএসআরইউ ছাড়াও ল্যান্ডবেজ টার্মিনালের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।’

বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানিতে ভাসমান স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর পাশাপাশি ল্যান্ডবেজ টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

পুরোনো সমস্যা সমাধানে সময় লাগবে

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মাহদী আমিন। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধানের কথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে তৈরি হওয়া পুঞ্জীভূত সমস্যা একদিনে সমাধান সম্ভব নয়। প্রতিটি সমস্যাই নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে নতুন সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা আনা। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণ করা। এ জন্য বিদ্যুৎ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।