হামজাদের নতুন জার্সির দাম ১৬০০ টাকা
- আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন হোম ও অ্যাওয়ে জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন জার্সি উন্মোচন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।
নতুন এই জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কিট পার্টনার ‘দৌড়’ জার্সি দুটি তৈরি করেছে।
ফেব্রিকের কারণে দাম বেশি
নতুন জার্সির দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে ফেব্রিকের কথা জানিয়েছেন ‘দৌড়’-এর স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরি। তিনি জানান, সাধারণ সমর্থকদের জন্য শিগগিরই কম দামের ফ্যান এডিশন জার্সি বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাফুফের অনুমোদন পেলে ফ্যান এডিশনের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে রাখা হতে পারে।
অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনে বিক্রির পরিকল্পনা
‘দৌড়’-এর নিজস্ব কোনো আনুষ্ঠানিক শোরুম নেই। তবে এবার ইনফিনিটি স্টোরে বাংলাদেশ দলের জার্সি পাওয়া যাবে। সমর্থকদের সুবিধার জন্য অফলাইনেও জার্সি বিক্রির ব্যবস্থা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
তিনি বলেন, অনলাইনের পাশাপাশি দৌড়ের নিজস্ব শোরুম থেকেও যেন সমর্থকরা জার্সি সংগ্রহ করতে পারেন, সেটি তারা চান।
এক বছরে বিক্রি ২০ হাজার জার্সি
বাফুফের সঙ্গে ‘দৌড়’-এর চুক্তির মেয়াদ দুই বছর। এরই মধ্যে প্রায় দেড় বছর পার হয়েছে। এই সময়ে গত এক বছরে প্রায় ২০ হাজার জার্সি বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরি।
তিনি জানান, নিয়মিতভাবে বাফুফেকে রয়্যালিটি দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত চুক্তির বাইরেও অতিরিক্ত ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের জন্য কয়েক হাজার জার্সি সরবরাহ করেছে ‘দৌড়’।
অন্যদিকে, বাফুফের মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম জানান, জার্সি বিক্রি থেকে বাফুফে লভ্যাংশ পাচ্ছে। একই সঙ্গে আগে জার্সি তৈরিতে যে ব্যয় হতো, সেটিও এখন হচ্ছে না।
কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে সমঝোতা
জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে বাফুফে ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মধ্যে কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।
বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরি এতে স্বাক্ষর করেন।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, স্টেডিয়াম দুটির মালিকানা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদেরই থাকবে। তবে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেখবে বাফুফে। একই সঙ্গে অন্য ফেডারেশনও বাফুফের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব স্টেডিয়ামে খেলাধুলার আয়োজন করতে পারবে।
























