চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমানকে স্ট্যান্ড রিলিজ
- আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য সংরক্ষিত সরকারি সার চুরি ও বৃষ্টির পানিতে সার নষ্ট হওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর থেকে বদলি করে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসে ‘অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা’ হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম স্বাক্ষরিত আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে আনিছুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য করা হবে।
নতুন কৃষি কর্মকর্তা পদায়ন
একই অফিস আদেশে যশোরের মনিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা শারমীন শাহানাজকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
সার চুরি ও নষ্টের ঘটনায় তদন্ত
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের জন্য সংরক্ষিত সরকারি সার চুরি ও নষ্ট হওয়ার ঘটনায় ২৫ আগস্ট তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। খামারবাড়ি ঢাকার হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক মো. হযরত আলীকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাটি তদন্তে কাজ শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।
৫৩ বস্তা সার চুরি, নষ্ট আরও ২০ বস্তা
সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে উন্মুক্ত স্থানে কৃষকদের জন্য রাখা ৫৩ বস্তা সার দুই দফায় চুরি হয়। পাশাপাশি বৃষ্টির পানিতে ভিজে অন্তত ২০ বস্তা সার নষ্ট হয়ে যায়।
ঘটনায় সরকারি সম্পদ সংরক্ষণে কৃষি বিভাগের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বরাদ্দ সার চুরি ও নষ্ট হওয়ায় ভোগান্তির বিষয়টিও সামনে আসে।


























