০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ, গেজেট প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে গেজেট জারি করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনে নজরদারি

গেজেট অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং গুরুতর অপরাধ দমনে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

যেসব জেলার দায়িত্ব পেলেন তারা

নতুন দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড় এবং আব্দুল আউয়াল মিন্টু লক্ষ্মীপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গা, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরী মৌলভীবাজার, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি চট্টগ্রাম এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার দায়িত্ব পেয়েছেন।

আসাদুল হাবিব দুলু ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও যেসব দায়িত্ব বণ্টন

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল পেয়েছেন মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ, সাচিং প্রু কক্সবাজার, মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদী এবং মিজ্ শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারীকে বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকা এবং মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

উন্নয়ন ও সরকারি কার্যক্রমও তদারকি করবেন

মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম; মিজ্ ফারজানা শারমিন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল এবং ইয়াসের খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের দায়িত্ব পেয়েছেন।

আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি; মোহাম্মদ শামীম কায়সার জয়পুরহাট ও নওগাঁ; আলহাজ্ব মো. জি কে গউস সিলেট ও সুনামগঞ্জ; মিয়াঁ নুরুদ্দিন আহম্মেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

গেজেটে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজনে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শও দিতে পারবেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নতুন দায়িত্ব পেলেন ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ, গেজেট প্রকাশ

আপডেট সময় : ১২:৫৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে গেজেট জারি করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনে নজরদারি

গেজেট অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা সংশ্লিষ্ট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং গুরুতর অপরাধ দমনে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

যেসব জেলার দায়িত্ব পেলেন তারা

নতুন দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ রাজশাহী ও নাটোর, ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড় এবং আব্দুল আউয়াল মিন্টু লক্ষ্মীপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

এ ছাড়া নিতাই রায় চৌধুরী চুয়াডাঙ্গা, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির হবিগঞ্জ, আরিফুল হক চৌধুরী মৌলভীবাজার, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি চট্টগ্রাম এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার দায়িত্ব পেয়েছেন।

আসাদুল হাবিব দুলু ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও যেসব দায়িত্ব বণ্টন

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল পেয়েছেন মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ, সাচিং প্রু কক্সবাজার, মো. শরীফুল আলম টাঙ্গাইল ও নরসিংদী এবং মিজ্ শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের দায়িত্ব পেয়েছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারীকে বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ঢাকা এবং মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং মো. রাজীব আহসান বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

উন্নয়ন ও সরকারি কার্যক্রমও তদারকি করবেন

মীর শাহে আলম রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম; মিজ্ ফারজানা শারমিন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল এবং ইয়াসের খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জের দায়িত্ব পেয়েছেন।

আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি; মোহাম্মদ শামীম কায়সার জয়পুরহাট ও নওগাঁ; আলহাজ্ব মো. জি কে গউস সিলেট ও সুনামগঞ্জ; মিয়াঁ নুরুদ্দিন আহম্মেদ রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

গেজেটে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি করবেন। প্রয়োজনে তারা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন সভায় অংশ নিয়ে পরামর্শও দিতে পারবেন।