০৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাচ্ছে আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, পানির নিচে ফসলি জমি

আখাউড়া সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে আখাউড়ায় পানি বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার পর পানি বৃদ্ধির গতি আরও বেড়ে যায়। আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ইউনিয়ন ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে হাওড়া নদীর পানিও বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জাজিরপুল খাল দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েকটি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নদীর বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ বা বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আবদুল্লাহপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, বেশি দামে জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। পাহাড়ি ঢলের পানিতে সব তলিয়ে গেছে। পানি নেমে গেলে নতুন করে কীভাবে ধান চাষ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানান তিনি।

বীরচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনু মিয়াও জানান, ধানের জমি পানির নিচে চলে গেছে। পানি আরও বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ইউপি সদস্য রহিম মিয়া বলেন, পানি দ্রুত বাড়ায় নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, পৌরসভা, মোগড়া ও দক্ষিণ ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতি কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া জানান, পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাচ্ছে আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, পানির নিচে ফসলি জমি

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে আখাউড়ায় পানি বাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যার পর পানি বৃদ্ধির গতি আরও বেড়ে যায়। আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ইউনিয়ন ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে হাওড়া নদীর পানিও বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জাজিরপুল খাল দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েকটি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নদীর বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ বা বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আবদুল্লাহপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, বেশি দামে জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। পাহাড়ি ঢলের পানিতে সব তলিয়ে গেছে। পানি নেমে গেলে নতুন করে কীভাবে ধান চাষ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তার দাবি জানান তিনি।

বীরচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনু মিয়াও জানান, ধানের জমি পানির নিচে চলে গেছে। পানি আরও বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ইউপি সদস্য রহিম মিয়া বলেন, পানি দ্রুত বাড়ায় নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, পৌরসভা, মোগড়া ও দক্ষিণ ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতি কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া জানান, পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।