এলএনজি টার্মিনাল চালু হওয়ায় বাড়ল গ্যাস সরবরাহ
- আপডেট সময় : ১১:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৩ বার পড়া হয়েছে
মহেশখালীর ভাসমান দুই এলএনজি টার্মিনাল—সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জি—থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
শনিবার সকালে সামিটের টার্মিনাল থেকে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশীয় গ্যাসসহ মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে কারিগরি সমস্যার কারণে এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে। পরে সন্ধ্যায় সামিট থেকে সীমিত আকারে সরবরাহ শুরু হয়। ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হয় এবং রাতে এক্সিলারেট থেকেও পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।
বর্তমানে দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট হওয়ায় ঘাটতি এখনো রয়েছে।
মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনালের মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির দৈনিক সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং সামিটের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনায় এক্সিলারেটের একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হয়। পরে ৬ আগস্ট সীমিত পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ শুরু করলেও শুক্রবার আবার কারিগরি সমস্যায় তা বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুই টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালু না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না। তবে সরবরাহ বাড়ায় সংকট ধীরে ধীরে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।





















