০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

আইএসআই নেটওয়ার্কে জড়িতের অভিযোগে ভারতজুড়ে অভিযানে আটক ২৫৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করেছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-সমর্থিত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে এসব ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের সমন্বয়ে চালানো এ অভিযানে আইইডি, গ্রেনেড, পিস্তল, গুলি এবং নজরদারি সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, অভিযানে কথিত শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের কার্যক্রম বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ১৪টি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সমন্বিত অভিযান চালিয়ে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সদস্য ও সহযোগীদের মাধ্যমে নেটওয়ার্কটি পরিচালিত হতো। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ, প্রতিরক্ষা স্থাপনা ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে এসব ব্যক্তিকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য নির্ধারণ এবং স্পর্শকাতর স্থাপনার আশপাশে নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি আটক করা হয়েছে উত্তর প্রদেশ থেকে। সেখানে ৬২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া হরিয়ানা থেকে ৫২, দিল্লি থেকে ৫১ এবং পাঞ্জাব থেকে ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ছাড়া রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, গুজরাট, বিহার, তেলেঙ্গানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং কেরালাতেও অভিযান চালানো হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এরই মধ্যে ৮০টির বেশি মামলা হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ), ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), অস্ত্র আইন, এনডিপিএস আইন ও বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় এসব মামলা করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের তথ্য এবং স্থানীয় সহযোগীদের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও অভিযান চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ভারত সরকারের দাবি, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আইএসআই নেটওয়ার্কে জড়িতের অভিযোগে ভারতজুড়ে অভিযানে আটক ২৫৩

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে ২৫৩ জনকে আটক করেছে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-সমর্থিত একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে এসব ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের সমন্বয়ে চালানো এ অভিযানে আইইডি, গ্রেনেড, পিস্তল, গুলি এবং নজরদারি সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, অভিযানে কথিত শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্কের কার্যক্রম বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ১৪টি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সমন্বিত অভিযান চালিয়ে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সদস্য ও সহযোগীদের মাধ্যমে নেটওয়ার্কটি পরিচালিত হতো। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ, প্রতিরক্ষা স্থাপনা ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে এসব ব্যক্তিকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য নির্ধারণ এবং স্পর্শকাতর স্থাপনার আশপাশে নজরদারি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি আটক করা হয়েছে উত্তর প্রদেশ থেকে। সেখানে ৬২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া হরিয়ানা থেকে ৫২, দিল্লি থেকে ৫১ এবং পাঞ্জাব থেকে ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

এ ছাড়া রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, গুজরাট, বিহার, তেলেঙ্গানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং কেরালাতেও অভিযান চালানো হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এরই মধ্যে ৮০টির বেশি মামলা হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (ইউএপিএ), ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), অস্ত্র আইন, এনডিপিএস আইন ও বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় এসব মামলা করা হয়েছে।

তদন্তকারীরা এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের তথ্য এবং স্থানীয় সহযোগীদের বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও অভিযান চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ভারত সরকারের দাবি, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।