হিন্দু হয়েও সন্তানদের ইসলাম শিক্ষা দিয়েছিলেন শর্মিলা ঠাকুর!
- আপডেট সময় : ০১:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর ও সাবেক ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির বিয়ে ছিল বলিউড ও ক্রিকেট অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। ভিন্ন ধর্মের দুই তারকার এই সম্পর্ক নিয়ে যেমন আগ্রহ ছিল, তেমনি তাদের সন্তানরা কোন ধর্মীয় পরিবেশে বড় হয়েছেন—তা নিয়েও ছিল কৌতূহল।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে সেই বিষয়েই কথা বলেছেন শর্মিলা ও মনসুরের বড় মেয়ে সাবা আলি খান পতৌদি। তিনি জানান, বাবা মুসলিম হলেও সন্তানদের ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছেন মা শর্মিলা ঠাকুর।
সাবা বলেন, ধর্মীয় বিষয়ে যেন তারা বিভ্রান্ত না হন এবং একটি ভিত্তি তৈরি করতে পারেন, সে কারণেই মা তাদের ইসলাম সম্পর্কে শেখাতেন। তবে একই সঙ্গে তিনি সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
সাবার ভাষ্য অনুযায়ী, পতৌদি পরিবারে কোনো ধর্মই সন্তানদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। ছোটবেলা থেকেই তারা বড়দিন, দীপাবলি, হোলিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে অংশ নিয়েছেন। তবে উৎসবে অংশ নিলেও তারা হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করেননি বলেও জানান সাবা।
তিনি আরও জানান, পরিবারের সদস্যদের কেউই কোনো ধর্ম কঠোরভাবে অনুসরণ করেন না। শর্মিলা ও মনসুরের সন্তানদের মধ্যেও ভিন্ন ধর্মের মানুষকে বিয়ে করার উদাহরণ রয়েছে।
১৯৬৮ সালে নবাব মনসুর আলি খান পতৌদিকে বিয়ে করেন শর্মিলা ঠাকুর। ভিন্ন ধর্মে বিয়ের কারণে সে সময় নানা আলোচনা ও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এই দম্পতি। বিয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করে শর্মিলা ঠাকুরের নাম রাখা হয় আয়েশা।
প্রায় ছয় দশক আগে আলোচিত সেই দাম্পত্য জীবনের ধর্মীয় পরিবেশ নিয়ে এবার নতুন তথ্য সামনে আনলেন তাদের মেয়ে সাবা আলি খান পতৌদি।



























