২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
ইরাক থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১২ আগস্ট) ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকে আইএসবিরোধী বৈশ্বিক জোটের সামরিক অভিযান শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব বিদেশি সেনা ইরাক ছাড়বে। নির্ধারিত এই সময়সীমা চূড়ান্ত। ফলে ১ অক্টোবর থেকে ইরাকে আর কোনো বিদেশি সেনার উপস্থিতি থাকবে না।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আলী আল জাইদির বৈঠকের ভিত্তিতেই সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি ওয়াশিংটন সফরের সময় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাক পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের প্রতি সম্মান রেখে অর্থনীতি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব দেবে।
ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৩ বছরের সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটাবে। ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাতের লক্ষ্যে ইরাকে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। অভিযানের প্রায় নয় মাস পর সাদ্দাম গ্রেপ্তার হন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
তবে সাদ্দামের মৃত্যুর পরও ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত থাকে। এর অন্যতম কারণ ছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর উত্থান। আইএসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ইরাকে সেনা মোতায়েন রাখে ওয়াশিংটন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক ও জোটভুক্ত দেশগুলো আইএসকে পরাজিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বর্তমানে ইরাকে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো মোকাবিলায় ইরাকি বাহিনী যথেষ্ট সক্ষম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে ইরাকে বর্তমানে কতজন মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, তা প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা।
সূত্র: আলজাজিরা



























