রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে প্রায় ৮৭ হাজার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
- আপডেট সময় : ১২:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এ সুবিধার আওতায় আসবেন। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে গঠিত সেলের এক সভায় চলতি অর্থবছরের কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন ব্যবস্থায় নির্বাচিত মসজিদের ইমামরা মাসে ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেমরা ২ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। একইভাবে মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজকরাও ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজকরা পাবেন ৩ হাজার টাকা করে।
সম্মানীর অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে পাঠানো হবে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে এ খাতে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ অর্থবছরে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার আওতায় আসবে। আগামী তিন অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এ সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মসজিদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে ১৫টি, সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি এবং বিভিন্ন শ্রেণির পৌরসভার ওয়ার্ডভিত্তিক নির্ধারিত সংখ্যক মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলা ভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।
এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৯৪৯ জন ধর্মীয় নেতাকে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সম্মানী দেওয়া হয়।
























