রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে সোনালি ধান ঘরে তোলার উৎসব
- আপডেট সময় : ১২:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
- / ১৫৬০ বার পড়া হয়েছে
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদন অঞ্চল ও শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে চলছে ধান তোলার উৎসব। বিলজুড়ে বোরো ধানের ঘ্রাণে মাতোয়ারা কৃষক। নেই দম ফেলার ফুরসত। তবে আনন্দের সাথে আছে বিষাদের গল্পও। একদিকে বৈশাখের শুরুতে হঠাৎ অতিবৃষ্টি, সার-বীজের দাম বৃদ্ধি, অন্যদিকে খরচ অনুপাতে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ার অভিযোগ কৃষকদের।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিল। শস্য ভান্ডার হিসেবে এর পরিচিতি থাকলেও বলা হয় পুরো দেশের আড়াই দিনের খাদ্যের যোগান দিতে পারে এই বিল। প্রায় ৩ হাজার ২শ’ হেক্টর আয়তনের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিলে এখন সোনালি ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
যতদূর চোখ যায় গুমাই বিলে এখন পাকা ধান আর পাখিদের আনাগোনা। সকাল থেকে ধান কাঁটার উৎসব চলে পুরো বিলজুড়ে। এই মৌসুমে নেত্রকোনা, নোয়াখালী, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ছুটে আসেন শ্রমিকরা।
ধান কাটার পর কেউ নিয়ে যান বাড়ির উঠানে, কেউবা তা মাড়াই করেন সড়কেই। ধান কাটার এই উৎসবের পাশাপাশি ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে কৃষকদের। এছাড়া বিলের বিভিন্ন দিকে জমি ভরাট করে চলছে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা তৈরীর কাজ। যার কারণে ফসল উৎপাদন হ্রাসের পাশাপাশি ছোট হয়ে আসছে বিলের আয়তন।
গুমাইবিলে এবার হাইব্রিড জাতের ধান হয়েছে ৮১০ হেক্টর ও উফসি জাতের ফলন হয়েছে ২ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে ব্রি-ধান ৮৮, ৮৯, ৯২, ১০২, ১০৪ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এছাড়া বন্যা সহিঞ্চু জাতেরও ধানের আবাদ হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি মৌসুমে ১০ হাজার টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বড় ভূমিকা রাখে এই গুমাই বিল।


























