১১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ মে ২০২৪

সংক্রমণ বাড়লেও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই অক্সিজেন প্লান্ট

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১৫০৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দ্বিতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ বাড়লেও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে লিকুইড অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন করা যায়নি।আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদন না মেলায় দীর্ঘদিনেও প্লান্ট বসানোর কাজ শুরু করা সম্ভভ হয়নি বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।এতে মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কোভিড-১৯ এর দ্বতীয় ঢেউয়ে খুলনায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা।গেল এক মাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৫৯ জন।এই সময়ে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫জনের।এক সময়ে রোগী শুণ্য করোনা হাসপাতালে এখন প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগীর ভীড়।

কিন্তু করোনা রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহে এখনও হাসপাতালের নির্ভরশীলতা বোতল জাত অক্সিজেনে।গত ৬ মাস আগে খুলনার ডেডিকেটেড হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক ও প্লান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি এখনও।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালে করোনার চিকিৎসার প্রস্তুতি শেষ হয়নি এখনো। সময় লাগবে আরও ১০দিন।তবে জেলা ও উপজেলায় অক্সিজেন ব্যাংক করে অক্সিজেন সাপ্লাই দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন সিভিল সার্জন।আর খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনার চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন প্লান্টের যন্ত্রপাতি আনা হলেও অর্থের অভাবে সেগুলো স্থাপন করা হয়নি।অক্সিজেন প্লান্টের সক্ষমতা দ্বিগুণ করার প্রস্তাবও আটকে আছে ৮ মাস।কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতায় প্রতিকার মেলেনি এখনও।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক জানালেন, প্রত্যেক জেলা সেন্ট্রাল অক্সিজেনের সাপ্লাইয়ের কানেক্টিভিটি আছে।আর উপজেলাতে সিলিন্ডার এর অভাব নাই।প্রত্যেকটা উপজেলাতেই আইসিইউ বেড ইনস্টল করা হবে।

করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক ও প্লান্টের কক্ষ নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৭ লাখ টাকা।কিন্তু কবে এর কাজ শুরু হবে তা বলতে পারছেন না কেউই।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংক্রমণ বাড়লেও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেই অক্সিজেন প্লান্ট

আপডেট সময় : ০১:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

দ্বিতীয় দফায় করোনা সংক্রমণ বাড়লেও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে লিকুইড অক্সিজেন প্লান্ট স্থাপন করা যায়নি।আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদন না মেলায় দীর্ঘদিনেও প্লান্ট বসানোর কাজ শুরু করা সম্ভভ হয়নি বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।এতে মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কোভিড-১৯ এর দ্বতীয় ঢেউয়ে খুলনায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা।গেল এক মাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৩৫৯ জন।এই সময়ে হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৫জনের।এক সময়ে রোগী শুণ্য করোনা হাসপাতালে এখন প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগীর ভীড়।

কিন্তু করোনা রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহে এখনও হাসপাতালের নির্ভরশীলতা বোতল জাত অক্সিজেনে।গত ৬ মাস আগে খুলনার ডেডিকেটেড হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক ও প্লান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি এখনও।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালে করোনার চিকিৎসার প্রস্তুতি শেষ হয়নি এখনো। সময় লাগবে আরও ১০দিন।তবে জেলা ও উপজেলায় অক্সিজেন ব্যাংক করে অক্সিজেন সাপ্লাই দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন সিভিল সার্জন।আর খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনার চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন প্লান্টের যন্ত্রপাতি আনা হলেও অর্থের অভাবে সেগুলো স্থাপন করা হয়নি।অক্সিজেন প্লান্টের সক্ষমতা দ্বিগুণ করার প্রস্তাবও আটকে আছে ৮ মাস।কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতায় প্রতিকার মেলেনি এখনও।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক জানালেন, প্রত্যেক জেলা সেন্ট্রাল অক্সিজেনের সাপ্লাইয়ের কানেক্টিভিটি আছে।আর উপজেলাতে সিলিন্ডার এর অভাব নাই।প্রত্যেকটা উপজেলাতেই আইসিইউ বেড ইনস্টল করা হবে।

করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক ও প্লান্টের কক্ষ নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৭ লাখ টাকা।কিন্তু কবে এর কাজ শুরু হবে তা বলতে পারছেন না কেউই।