বৈশাখের অনুষ্ঠান সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের কাছে এক অভিন্ন উৎসব
- আপডেট সময় : ০৪:১৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৭৬০ বার পড়া হয়েছে
এর আগে পয়লা বৈশাখ উদযাপনে রাজধানীর রমনা বটমূলে ভোরে শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল সোয়া ৬টায় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩–কে বরণ করে নেয়ার প্রভাতি এই অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা এবার- ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
অনুষ্ঠান সাজানো হয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে। আরও ছিল লোকগান। দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন- ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার এই বটমূলে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে। এবারের অনুষ্ঠানের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে ভয়ের পরিবেশ থেকে বের হয়ে সংগীতের ভেতর দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়কে তুলে ধরা। পয়লা বৈশাখের এই অনুষ্ঠান কালক্রমে দেশের সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের কাছে এক অভিন্ন উৎসবে পরিণত হয়েছে।


























