ময়মনসিংহে অযত্ন অবহেলায় কবির স্মৃতি কেন্দ্রে কমছে দর্শনার্থী
- আপডেট সময় : ০২:০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
১১ জ্যৈষ্ঠ, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭ তম জন্মবার্ষিকী। তিনি ছিলেন প্রেমের কবি, দ্রোহের কবি, তারুণ্যের কবি। তার লেখনি এখনও উদীপ্ত করে কোটি তরুণ প্রাণ। সেই কবিকেই একসময় আসানসোল থেকে ময়মনসিংহে নিয়ে এসেছিলেন রফিজউল্লাহ দারোগা। বিচুতিয়া বেপারী বাড়িতে জায়গির থেকে পড়াশুনা করতেন নজরুল। কবির স্মৃতি বিজড়িত জায়গা সংরক্ষণে নির্মাণ করা হয় নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। কিন্তু সেগুলোও বছরের বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকে অযত্ন আর অবহেলায়। কমছে দর্শনার্থী। কর্তৃপক্ষ বলছে, দর্শণার্থী বাড়াতে নেয়া হয়েছে ডিজিটালাইজেশনের পরিকল্পনা।
প্রেম, বিরহ ও সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯১৪ সালে আসানসোলের এক রুটির দোকান থেকে রফিজউল্লাহ দারোগা ময়মনসিংহের ত্রিশালে নিয়ে আসেন কিশোর নজরুলকে। এখানে বিচুতিয়া বেপারি বাড়িতে জায়গির থেকে দরিরামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা করতেন নজরুল।
পেরিয়ে গেছে শত বছর। সেই দুটি বাড়িতে ২০০৮ সালে নির্মাণ করা হয়েছে নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র। আছে কবির ব্যবহৃত কাঠের খাট, পুরোনো গ্রামোফোন এবং দেওয়ালজুড়ে হাতে লেখা কবিতা আর ছবি। সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে কবির স্মৃতিধন্য নানা স্থান। যে বটগাছের নিচে বসে কবি সাহিত্যচর্চা করতেন, সেটিও পড়ে আছে অযত্নে। সরকার থেকেও খোঁজ নেওয়া হয় না দারোগা ও বেপারী বাড়ির পরিবারের।
নজরুলের কর্ম দেখতে নয়, শুধু ছবি তুলতে এখানে আসেন দর্শণার্থীরা। কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটালাইজেশন ও সংরক্ষণে নেওয়া হয়েছে উদ্যাগে।
সট: ফয়জুল্লাহ রোমেল, পরিচালক, কবি নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ।
শুধু বছরে একটি দিনের জন্য নয়, জাতীয় কবি নজরুলের জীবন, কর্ম, অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে উদ্যােগ নিবে সরকার। এমনটাই প্রত্যাশা ময়মনসিংহবাসীর।
























