দুর্গম পাহাড়ে সড়ক যোগাযোগ, উচ্ছ্বসিত থানচি-রেমাক্রীর মানুষ
- আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবনের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ থানচি-রেমাক্রী-মদক-লিকরি সড়ক দেশের দক্ষিণের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং দুর্গম পাহাড়ের অর্থনীতিতে এক যুগান্তকারী বিপ্লবের নাম। দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন থাকা এ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো সড়ক যোগাযোগ পৌঁছে যাওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
বান্দরবনের থানচি-রেমাক্রী-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় দুর্গম মদক এলাকাকে সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে প্রকল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ৭০ সীমান্ত পিলার হয়ে বড় মদক গাড়ীযোগে যাওয়ার মাধ্যমে এই রাস্তার উদ্বোধন করেন ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম।
২০১৪ সালে থানচি উপজেলা পরিষদ হতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজ শুরু করে। মোট ৮০ হতে ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের ৬২ কিলোমিটার কার্পেটিং শেষ। বাকি ১৮ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের মাটি কাটা চলমান।
নতুন সড়ক চালু হওয়ায় জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা কার্যক্রম, কৃষিপণ্য পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে এ সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হওয়ায় মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক ।
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মায়ানমার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার মদক অঞ্চলে ৪৫০টিরও বেশি পরিবারের বসবাস।


























