চাঁদপুরের হাইমচরবাসীর প্রধান দুঃখ মেঘনার অব্যাহত নদীভাঙন
- আপডেট সময় : ০১:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
চাঁদপুরের হাইমচরবাসীর প্রধান দুঃখ মেঘনার অব্যাহত নদীভাঙন। বর্ষা এলেই ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটে নদী তীরবর্তী তিনটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের। ফসলি জমি আর ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই দীর্ঘশ্বাসে খোঁজেন বাঁচার পথ। ভাঙন রোধে ২৯১ কোটি টাকার স্থায়ী প্রকল্পের ফাইল মন্ত্রণালয়ে আটকা থাকায় বাড়ছে হতাশা।
প্রমত্তা মেঘনা আর পদ্মার সঙ্গমস্থলের ঠিক পাশেই চাঁদপুর হাইমচর উপজেলা। উত্তাল ঢেউ আর প্রবল স্রোতে প্রতি বছরই মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে আসছে এ জনপদ। ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন এখন প্রায় বিলীন। অস্তিত্ব সংকটে বাকি ইউনিয়নগুলোও। ঘরবাড়ি, সাজানো সংসার আর সোনালি ফসল ফলানো জমি—সবই আজ মেঘনার পেটে। সর্বস্ব হারিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘশ্বাস এখন মিশে আছে নদীর ঢেউয়ে। তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও জোটেনি স্থায়ী সমাধান।
কৃষিনির্ভর হাইমচরের নীলকমল, গাজীপুর ও চরভৈরবীর মতো সম্ভাবনাময় এলাকাগুলো রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, বাঁধ নির্মাণ না হলে দ্রুতই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এসব জনপদ।
তবে আশার কথা শোনাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নদী ভাঙন রোধে ২৯১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে।
ফাইল বন্দি প্রকল্প আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা চরাঞ্চলবাসীর। মেঘনার গ্রাস থেকে প্রিয় মাতৃভূমি রক্ষায় দ্রুত সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ চান তারা।
























