০৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন ইরানের দুই ‘বিদ্রোহী’ ফুটবলার

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া ইরানের দুই নারী ফুটবলার ফাতেমেহ পাসানদিদেহ ও আতেফেহ রামেজানিসাদে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্রিসবেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন ইরানের কয়েকজন ফুটবলার। টুর্নামেন্ট শেষে সাতজন ফুটবলার ও কোচ অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চান। পরে পাঁচজন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ইরানে ফিরে গেলেও পাসানদিদেহ ও রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যান।

নাগরিকত্ব অনুষ্ঠানে দুই ফুটবলারের বন্ধু, সমর্থক এবং ব্রিসবেনের স্থানীয় ইরানি সম্প্রদায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রামেজানিসাদে বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দেশ আমাকে নতুন জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দিয়েছে। তবে আমার ইরানি শেকড় ও স্মৃতি সবসময় আমার পরিচয়ের অংশ হয়ে থাকবে।”

পাসানদিদেহও নাগরিকত্ব পাওয়াকে জীবনের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত উল্লেখ করে বলেন, “অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার পর এই অর্জনের গুরুত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করেনি। গোপনীয়তার নীতির কথা উল্লেখ করে তারা জানায়, ব্যক্তিগত মামলার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতেই তাদের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশটির শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ‘রিফিউজি কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়া’র তথ্য অনুযায়ী, সাধারণভাবে নাগরিকত্বের আবেদন করতে শরণার্থীদের বৈধ ভিসায় অন্তত চার বছর অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতে হয়।

বর্তমানে পাসানদিদেহ ও রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়ার নারী ফুটবলের শীর্ষ ঘরোয়া লিগ এ-লিগ উইমেনস-এর ক্লাব ব্রিসবেন রোর-এর হয়ে খেলছেন। তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলার পথও উন্মুক্ত হতে পারে, যদিও সে জন্য সংশ্লিষ্ট ফুটবল কর্তৃপক্ষের নিয়ম ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন ইরানের দুই ‘বিদ্রোহী’ ফুটবলার

আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া ইরানের দুই নারী ফুটবলার ফাতেমেহ পাসানদিদেহ ও আতেফেহ রামেজানিসাদে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্রিসবেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী টনি বার্ক তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি নারী এশিয়ান কাপ চলাকালে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন ইরানের কয়েকজন ফুটবলার। টুর্নামেন্ট শেষে সাতজন ফুটবলার ও কোচ অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চান। পরে পাঁচজন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ইরানে ফিরে গেলেও পাসানদিদেহ ও রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যান।

নাগরিকত্ব অনুষ্ঠানে দুই ফুটবলারের বন্ধু, সমর্থক এবং ব্রিসবেনের স্থানীয় ইরানি সম্প্রদায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রামেজানিসাদে বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দেশ আমাকে নতুন জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ দিয়েছে। তবে আমার ইরানি শেকড় ও স্মৃতি সবসময় আমার পরিচয়ের অংশ হয়ে থাকবে।”

পাসানদিদেহও নাগরিকত্ব পাওয়াকে জীবনের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত উল্লেখ করে বলেন, “অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করার পর এই অর্জনের গুরুত্ব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্য করেনি। গোপনীয়তার নীতির কথা উল্লেখ করে তারা জানায়, ব্যক্তিগত মামলার বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতেই তাদের নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশটির শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ‘রিফিউজি কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়া’র তথ্য অনুযায়ী, সাধারণভাবে নাগরিকত্বের আবেদন করতে শরণার্থীদের বৈধ ভিসায় অন্তত চার বছর অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করতে হয়।

বর্তমানে পাসানদিদেহ ও রামেজানিসাদে অস্ট্রেলিয়ার নারী ফুটবলের শীর্ষ ঘরোয়া লিগ এ-লিগ উইমেনস-এর ক্লাব ব্রিসবেন রোর-এর হয়ে খেলছেন। তাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলার পথও উন্মুক্ত হতে পারে, যদিও সে জন্য সংশ্লিষ্ট ফুটবল কর্তৃপক্ষের নিয়ম ও যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।