০৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ হাজার ৭১২ জনের

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে গত সাড়ে ছয় বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে ১৬ হাজার ৬৫টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ১৪৩ জন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ১ হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২১৪ জনে। ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৯১ জন, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ১৭৭ জনের।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার বড় অংশই ঘটেছে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে। মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ঘটেছে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, বাসসহ ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। এছাড়া ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে এবং ২২ দশমিক ০৮ শতাংশ হয়েছে মুখোমুখি সংঘর্ষে।

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে পণ্যবাহী যানবাহন। ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরি মিলিয়ে ৬ হাজার ৪৮১টি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য।

সড়কের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। মোট দুর্ঘটনার ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ হয়েছে এসব সড়কে। জাতীয় মহাসড়কে ২৯ দশমিক ৭১ শতাংশ, শহরের সড়কে ১৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং গ্রামীণ সড়কে ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। কিশোর ও তরুণদের মধ্যে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য করা এবং নজরদারির ঘাটতির কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

সংগঠনটির মতে, দেশের মোট নিবন্ধিত যানবাহনের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। গণপরিবহনের সীমাবদ্ধতা, যানজট ও সহজলভ্যতার কারণে মোটরসাইকেলের ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়।

দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে মানসম্পন্ন হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক আইন কঠোর প্রয়োগ, নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৫ হাজার ৭১২ জনের

আপডেট সময় : ০১:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

দেশে গত সাড়ে ছয় বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন নিহত হয়েছেন। এ সময়ে ১৬ হাজার ৬৫টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ১৪৩ জন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

শনিবার (৮ আগস্ট) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন ১ হাজার ৪৬৩ জন। ২০২১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ২১৪ জনে। ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৯১ জন, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১ হাজার ১৭৭ জনের।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার বড় অংশই ঘটেছে ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে। মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ ঘটেছে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, বাসসহ ভারী যানবাহনের ধাক্কায়। এছাড়া ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে এবং ২২ দশমিক ০৮ শতাংশ হয়েছে মুখোমুখি সংঘর্ষে।

দুর্ঘটনার জন্য দায়ী যানবাহনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে পণ্যবাহী যানবাহন। ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরি মিলিয়ে ৬ হাজার ৪৮১টি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য।

সড়কের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। মোট দুর্ঘটনার ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ হয়েছে এসব সড়কে। জাতীয় মহাসড়কে ২৯ দশমিক ৭১ শতাংশ, শহরের সড়কে ১৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং গ্রামীণ সড়কে ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। কিশোর ও তরুণদের মধ্যে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য করা এবং নজরদারির ঘাটতির কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

সংগঠনটির মতে, দেশের মোট নিবন্ধিত যানবাহনের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। গণপরিবহনের সীমাবদ্ধতা, যানজট ও সহজলভ্যতার কারণে মোটরসাইকেলের ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়।

দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে মানসম্পন্ন হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক আইন কঠোর প্রয়োগ, নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।