০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা, হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৭৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক মো. আবুল হোসেন ওরফে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট মামলা দুটি করা হলেও বিষয়টি ১৩ সেপ্টেম্বর জানাজানি হয়।

মামলা করার বিষয়টি গোপন রেখে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

চাঁদা দাবির অভিযোগে একটি মামলা

খাগড়াছড়ি সদর থানায় করা মামলাগুলোর একটি করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সম্প্রতি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এম এন আবছার। ৩০ আগস্ট করা মামলাটি থানায় ১৭ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

মামলায় এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে লেখালেখির বিষয়টিও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মানহানির অভিযোগে দ্বিতীয় মামলা

অপর মামলাটি করেছেন খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি এইচ এম প্রফুল্ল। একই দিনে করা মামলাটি ১৮ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

এ মামলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলা দুটিকে হয়রানি বলছেন ফারুক

তবে দুটি মামলাকেই ‘হয়রানির চেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন এ এইচ এম ফারুক। তার দাবি, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সম্প্রতি সমালোচনামূলক লেখালেখি ও বক্তব্য দিয়েছেন। এর জেরে বিএনপির অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

ফারুক জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন তিনি। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে উপসম্পাদকীয় ও কলাম লেখেন এবং টেলিভিশনের টকশোতে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে লেখালেখি করেন বলে জানান তিনি।

রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে ফারুক বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার অভিযোগ, দলীয় অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করায় তিনি তাদের বিরাগভাজন হয়েছেন। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অনিয়মে জড়িত বলে যাদের সমালোচনা করেছেন, তারাও তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আইনগতভাবে মামলা মোকাবিলার কথা

এ এইচ এম ফারুক বলেন, ‘আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সবার আছে। আইনগতভাবেই এসব মামলা মোকাবিলা করা হবে।’

তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তার বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ও পরিবারের সদস্যদের ফোন ট্র্যাকিং করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন ফারুক। এ কারণে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান।

এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা, হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক মো. আবুল হোসেন ওরফে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট মামলা দুটি করা হলেও বিষয়টি ১৩ সেপ্টেম্বর জানাজানি হয়।

মামলা করার বিষয়টি গোপন রেখে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক এ এইচ এম ফারুক। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আইনগতভাবে মোকাবিলা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

চাঁদা দাবির অভিযোগে একটি মামলা

খাগড়াছড়ি সদর থানায় করা মামলাগুলোর একটি করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং সম্প্রতি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া এম এন আবছার। ৩০ আগস্ট করা মামলাটি থানায় ১৭ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

মামলায় এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে লেখালেখির বিষয়টিও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মানহানির অভিযোগে দ্বিতীয় মামলা

অপর মামলাটি করেছেন খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি এইচ এম প্রফুল্ল। একই দিনে করা মামলাটি ১৮ নম্বর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

এ মামলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মামলা দুটিকে হয়রানি বলছেন ফারুক

তবে দুটি মামলাকেই ‘হয়রানির চেষ্টা’ হিসেবে দেখছেন এ এইচ এম ফারুক। তার দাবি, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি সম্প্রতি সমালোচনামূলক লেখালেখি ও বক্তব্য দিয়েছেন। এর জেরে বিএনপির অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

ফারুক জানান, প্রায় ২৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন তিনি। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, রোহিঙ্গা সংকট এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে উপসম্পাদকীয় ও কলাম লেখেন এবং টেলিভিশনের টকশোতে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে লেখালেখি করেন বলে জানান তিনি।

রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ

নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে ফারুক বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তিনি খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার অভিযোগ, দলীয় অভ্যন্তরের কিছু গ্রুপের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করায় তিনি তাদের বিরাগভাজন হয়েছেন। দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অনিয়মে জড়িত বলে যাদের সমালোচনা করেছেন, তারাও তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আইনগতভাবে মামলা মোকাবিলার কথা

এ এইচ এম ফারুক বলেন, ‘আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সবার আছে। আইনগতভাবেই এসব মামলা মোকাবিলা করা হবে।’

তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তার বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ও পরিবারের সদস্যদের ফোন ট্র্যাকিং করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন ফারুক। এ কারণে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান।

এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।