মাদারীপুরে বেপরোয়া গতিতে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল চালাচ্ছে শিশু-কিশোররা
- আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
- / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
মাদারীপুরে শখের বসে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল চালাচ্ছে শিশু-কিশোররা। আঞ্চলিক সড়ক ছাড়িয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাসড়কেও। ট্রাফিক আইন না মেনে বেপরোয়া গতিতে চলায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। মোটর সাইকেলে হেলমেট ব্যবহার না করায় ঘটছে প্রাণহানী। জেলা প্রশাসন বলছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের এমন যানবাহন চালানো কিশোর অপরাধ। পুলিশের দাবি, শুধুমাত্র আইন দিয়ে শিশু-কিশোরদের আটকানো সম্ভব নয়, প্রয়োজন গণসচেতনতা।
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মোল্লাকান্দি গ্রামের আকরাম বেপারীর ১৫ বছরের ছেলে ইয়াসিন। প্রাইভেট কারে অসুস্থ রোগী নিয়ে ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে জেলার আড়াইশ’ শয্যা হাসপাতালে। লাইসেন্স না থাকলেও হরহামেশা প্রতিনিয়তই মহাসড়কে গাড়ি চালাচ্ছে সে। এদিকে, ১০ বছরের আরেক শিশু তার দুই বন্ধুকে নিয়ে ঝড়ের গতিতে চালাচ্ছে মোটরসাইকেল। কারো মাথায়ই নেই হেলমেট। জানে না ট্রাফিক আইন, মানে না লাইসেন্স। এভাবেই প্রতিদিন জেলার মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে শখের বসে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল চালাচ্ছে শিশু-কিশোররা। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করা এসব শিশু-কিশোরের খোঁজখবর রাখেন না অভিভাবকরাও।
প্রশাসনের বক্তব্য, অপ্রাপ্তবয়স্কদের এমন যানবাহন চালানো কিশোর অপরাধের আওতায় পড়ে।
এদিকে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিমাসে ৬/৭শ’ মামলা দিচ্ছে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলার ট্রাফিক পুলিশ। তবুও কমছে না এমন অপরাধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পরিবারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও এগিয়ে আসার তাগিদ পুলিশ বিভাগের।
স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিশু-কিশোরদের দখলে এখন জেলার অধিকাংশ সড়ক। এদের অধিকাংশেরই বাবা প্রবাসী হওয়ায় সহজেই মিলছে যানবাহন চালানোর সুযোগ। পরিসংখ্যান বলছে, এদের চালিত যানবাহনে বছরে দুর্ঘটনায় প্রাণ যাচ্ছে অন্তত ১৫-২০ জনের। সেই সাথে পঙ্গু হচ্ছে আরো অনেকে।





















