ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেতার ফোন না ধরায় ট্রেনের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৩:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টার ম্যানেজার ও বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগের শিকার দুজন হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব এবং বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ফোন না ধরায় ক্ষুব্ধ হওয়ার অভিযোগ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে ট্রেনের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দেয়নি।
সোমবার সকালে যুবদল নেতা সানি বুকিং ক্লার্ক কাউসার হোসেনকে ফোন করে তাঁর পরিচিত এক ব্যক্তিকে দুটি টিকিট দেওয়ার কথা বলেন। পরে কাউসার স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে যাওয়ার সময় স্টেশন এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে টিকিটের জন্য মারধর ও হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর কিছুক্ষণ পর সানি একাধিকবার কাউসারকে ফোন দেন। তবে তিনি ফোন ধরেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে যুবদল নেতা স্টেশনে গিয়ে তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে যান।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সেখানে একপর্যায়ে সানি কাউন্টারে থাকা বুকিং ক্লার্ক কাউসার ও ম্যানেজার মহিউদ্দিনকে চড়-থাপ্পড় মারেন।
দেড় ঘণ্টা বন্ধ ছিল কাউন্টারের কার্যক্রম
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে কাউন্টারের কর্মীরা টিকিট বিক্রিসহ সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এতে তিতাস কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা টিকিট নিতে ভোগান্তিতে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আবার কাউন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। তাঁদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মারধরের অভিযোগ অস্বীকার
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাজমুল হুদা সানি। মুঠোফোনে তিনি বলেন, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের কর্মীরা অতিরিক্ত দামে কালোবাজারিদের কাছে টিকিট বিক্রি করছিলেন বলে তিনি জানতে পারেন।
সানি বলেন, স্টেশনে থাকা একজনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি খোঁজ নিতে সেখানে যান এবং অনিয়মের প্রতিবাদ করেন। তবে কাউকে মারধর করা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।






















