০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৭০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব যানবাহনের চলাচলের এলাকা, কারিগরি মান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বেড়েছে। এর ফলে যানজটসহ নগর ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব যানবাহনের নিরাপত্তা ও চালকদের দক্ষতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশা কোথায় চলতে পারবে, কী ধরনের মান বজায় রাখতে হবে এবং যানবাহনের কারিগরি সক্ষমতা কেমন হবে—এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে। পাশাপাশি চালকদের প্রশিক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতিও নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

তথ্য উপদেষ্টা জানান, নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে একটি শৃঙ্খলা তৈরি হবে। এতে একদিকে যেমন নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে, অন্যদিকে যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তাও বাড়বে।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর বিষয়েও তথ্য দেন ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তিনি আরও বলেন, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা বাজারে প্রবাহিত হবে। এতে অর্থনীতিতে চাহিদা বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রয়োজনীয় সহায়তা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা হচ্ছে

আপডেট সময় : ০২:০০:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এসব যানবাহনের চলাচলের এলাকা, কারিগরি মান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বেড়েছে। এর ফলে যানজটসহ নগর ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব যানবাহনের নিরাপত্তা ও চালকদের দক্ষতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশা কোথায় চলতে পারবে, কী ধরনের মান বজায় রাখতে হবে এবং যানবাহনের কারিগরি সক্ষমতা কেমন হবে—এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে। পাশাপাশি চালকদের প্রশিক্ষণ ও পরিচালন পদ্ধতিও নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

তথ্য উপদেষ্টা জানান, নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচলে একটি শৃঙ্খলা তৈরি হবে। এতে একদিকে যেমন নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে, অন্যদিকে যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তাও বাড়বে।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর বিষয়েও তথ্য দেন ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তিনি আরও বলেন, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা বাজারে প্রবাহিত হবে। এতে অর্থনীতিতে চাহিদা বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো প্রয়োজনীয় সহায়তা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করা।