০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পরলোকে পাড়ি জমালেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০
  • / ১৫০৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলে গেলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই ফুসফুসে সংক্রমণসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিক্ষাবিদ।জাতীয় এই অধ্যাপকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। দেশের প্রখ্যাত এই শিক্ষাবিদ ও লেখক ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। পরে স্কুলে থাকাবস্থায় সপরিবারে চলে আসেন ঢাকায়। ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এই বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে তার কর্মজীবন শেষ করেন।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ রয়েছে তার। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদকে ভুষিত হন তিনি।

এছাড়া ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার আনন্দবাজার পত্রিকার ‘আনন্দ পুরস্কার’, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট. উপাধি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। পরে, ২০১৮ সালের ১৯ জুন জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ সরকার।

দীর্ঘদিন ধরেই ফুসফুসে সংক্রমণ, হার্ট, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই জাতীয় অধ্যাপক। গেল ২৭ এপ্রিল থেকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৯ মে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবশেষে বৃহস্পতিবার ৮৩ বছর বয়সে পরলোকে পাড়ি জমালেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পরলোকে পাড়ি জমালেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান

আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

চলে গেলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই ফুসফুসে সংক্রমণসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিক্ষাবিদ।জাতীয় এই অধ্যাপকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও শোক প্রকাশ করেছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। দেশের প্রখ্যাত এই শিক্ষাবিদ ও লেখক ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। পরে স্কুলে থাকাবস্থায় সপরিবারে চলে আসেন ঢাকায়। ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এই বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে তার কর্মজীবন শেষ করেন।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগ্রন্থ রয়েছে তার। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য একাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদকে ভুষিত হন তিনি।

এছাড়া ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার, ১৯৯৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার আনন্দবাজার পত্রিকার ‘আনন্দ পুরস্কার’, ২০০৫ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট. উপাধি এবং ২০১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন। পরে, ২০১৮ সালের ১৯ জুন জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ সরকার।

দীর্ঘদিন ধরেই ফুসফুসে সংক্রমণ, হার্ট, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এই জাতীয় অধ্যাপক। গেল ২৭ এপ্রিল থেকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৯ মে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবশেষে বৃহস্পতিবার ৮৩ বছর বয়সে পরলোকে পাড়ি জমালেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।