০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য জানান।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আগামী নভেম্বরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন করে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময়ে দেশের আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে অনুকূল থাকে। ফলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠান থাকায় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে সেগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।

ধর্মীয় ও জাতীয় আয়োজন বিবেচনায় সময়সূচি

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে পূজা, ঈদ, রমজানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় আয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। ভোটের কারণে যাতে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচিতে সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও কমিশন গুরুত্ব দেবে।

তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় নির্ধারণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটারদের সুবিধা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই নির্ধারিত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নির্বাচন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠ প্রশাসনের ওপর চাপ সামলানো সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।

ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে। কোন পর্যায়ের নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা সংশ্লিষ্ট সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু নভেম্বরের নির্বাচন নিয়েই নয়, পরবর্তী সময়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কমিশন কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনের উপযুক্ত সময়, ধর্মীয় উৎসব, জাতীয় অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ভোটের তারিখ ও সময়সূচি চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য থাকলেও এখনো চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পরই ভোটের তারিখ, মনোনয়ন দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহারসহ নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি জানা যাবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে মাঠপর্যায়ে সম্ভাব্য প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর থেকেই শুরু হতে পারে দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনার ওপর।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি

আপডেট সময় : ১২:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য জানান।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আগামী নভেম্বরকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন করে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত মৌসুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময়ে দেশের আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে অনুকূল থাকে। ফলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসা এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রেও সুবিধা হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠান থাকায় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে সেগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।

ধর্মীয় ও জাতীয় আয়োজন বিবেচনায় সময়সূচি

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে পূজা, ঈদ, রমজানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় আয়োজন রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। ভোটের কারণে যাতে কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচিতে সমস্যা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও কমিশন গুরুত্ব দেবে।

তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় নির্ধারণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, ভোটারদের সুবিধা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানান আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই নির্ধারিত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে না করে ধাপে ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নির্বাচন পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং মাঠ প্রশাসনের ওপর চাপ সামলানো সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।

ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে। কোন পর্যায়ের নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা সংশ্লিষ্ট সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু নভেম্বরের নির্বাচন নিয়েই নয়, পরবর্তী সময়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কমিশন কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনের উপযুক্ত সময়, ধর্মীয় উৎসব, জাতীয় অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ভোটের তারিখ ও সময়সূচি চূড়ান্ত করবে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য থাকলেও এখনো চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পরই ভোটের তারিখ, মনোনয়ন দাখিল, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহারসহ নির্বাচনের বিস্তারিত সময়সূচি জানা যাবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে মাঠপর্যায়ে সম্ভাব্য প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর থেকেই শুরু হতে পারে দীর্ঘদিন পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনার ওপর।