আত্মগোপনে থাকা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী চট্টগ্রামে পরিবারসহ আটক
- আপডেট সময় : ১২:২০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
চাঁদপুর শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিভিন্ন ব্যক্তির বন্ধক রাখা স্বর্ণের বিপরীতে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে না পারায় তাঁরা আত্মগোপনে ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার নিজ এলাকা থেকে তাঁদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল। অভিযানের নেতৃত্ব দেন সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কালাম গাজী।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ আগস্ট ‘স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টুসহ পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ’ সংক্রান্ত খবর প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। পরে পিন্টু দাসের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বন্ধক রাখা স্বর্ণের বিপরীতে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতে না পারায় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে যান।
সম্প্রতি রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনার পর চাঁদপুরের একটি পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়। এরপর চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে তাঁদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দুই দিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে চট্টগ্রামের পটিয়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত না পাওয়ার অভিযোগে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন। এছাড়া তিনি শহরের মিজানুর রহমান চৌধুরী সড়কের সৌর ভিলায় ভাড়া থাকতেন। ওই বাসার মালিকের ছেলে রাসেল খান গত ২২ আগস্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাঁদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাসসহ পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর নিখোঁজ হওয়ার কারণ এবং স্বর্ণ বন্ধক সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

























