০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের ইলিশ নিয়ে অনলাইন প্রতারণা: আরও ৩ সদস্য গ্রেপ্তার নড়াইল থেকে

চাঁদপুর প্রতিনিধি ॥
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৯৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাঁদপুরের ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণাকারী চক্রের আরও ৩ জন সদস্যকে নড়াইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমকার্ডসহ ৮টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন এবং অনিক অধিকারী। তারা সবাই নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন চাচুড়ী ও পেড়লী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ নিয়ে নড়াইল থেকে গত ১ মাসে ৯ জন আটক করা হয়েছে৷

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা এডিট করে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত। এসব পেজে ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, জুতা, কলম, বেবি টয়, মোটরসাইকেলের পার্টস বিক্রি, অনলাইন জব এবং আকর্ষণীয় লোভনীয় অফারের ফেক কমেন্ট ও শর্ট রিল বানিয়ে বিজ্ঞাপন বুস্ট করত।
​সাধারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য তারা প্রতারণার নানা অভিনব উপায় অবলম্বন করত। তারা অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা অডিও কলে ‘নাহিদ’, ‘জাবেদ’, ‘হাজী আব্দুল কাদের’, ‘রফিকুল’ ইত্যাদি ভুয়া নামে নিজেদের প্রকৃত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিত। এমনকি ভুয়া ঠিকানা, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স, নকল ভাউচার এবং ওয়েবসাইট তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করত। পণ্য বিক্রির কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তারা মালামাল সরবরাহ না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত এবং গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করত।
​এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঁদপুর মডেল থানায় গত ২১ আগস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডের ধারায় পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়।
​চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় এক যৌথ অভিযান চালিয়ে এই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযান শেষে আজ ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারকৃতদের চাঁদপুরের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
​এই একই প্রতারক চক্রের ইতিপূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনসহ সর্বমোট ৯ জন সদস্যকে এ পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয় ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চাঁদপুরের ইলিশ নিয়ে অনলাইন প্রতারণা: আরও ৩ সদস্য গ্রেপ্তার নড়াইল থেকে

আপডেট সময় : ১২:৪২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণাকারী চক্রের আরও ৩ জন সদস্যকে নড়াইল থেকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমকার্ডসহ ৮টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন মো. সুমন ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম মামুন এবং অনিক অধিকারী। তারা সবাই নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন চাচুড়ী ও পেড়লী ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ নিয়ে নড়াইল থেকে গত ১ মাসে ৯ জন আটক করা হয়েছে৷

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা এডিট করে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলত। এসব পেজে ইলিশ মাছ, ফার্নিচার, জুতা, কলম, বেবি টয়, মোটরসাইকেলের পার্টস বিক্রি, অনলাইন জব এবং আকর্ষণীয় লোভনীয় অফারের ফেক কমেন্ট ও শর্ট রিল বানিয়ে বিজ্ঞাপন বুস্ট করত।
​সাধারণ ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য তারা প্রতারণার নানা অভিনব উপায় অবলম্বন করত। তারা অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা অডিও কলে ‘নাহিদ’, ‘জাবেদ’, ‘হাজী আব্দুল কাদের’, ‘রফিকুল’ ইত্যাদি ভুয়া নামে নিজেদের প্রকৃত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিত। এমনকি ভুয়া ঠিকানা, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স, নকল ভাউচার এবং ওয়েবসাইট তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করত। পণ্য বিক্রির কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তারা মালামাল সরবরাহ না করে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত এবং গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ করত।
​এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঁদপুর মডেল থানায় গত ২১ আগস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডের ধারায় পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়।
​চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় এক যৌথ অভিযান চালিয়ে এই ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযান শেষে আজ ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারকৃতদের চাঁদপুরের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
​এই একই প্রতারক চক্রের ইতিপূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনসহ সর্বমোট ৯ জন সদস্যকে এ পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা হয় ।