চট্টগ্রামের হালদা নদীতে ডিম সংগ্রহ শেষে হ্যাচারিগুলোতে চলছে রেণু পরিস্ফূটন
- আপডেট সময় : ১১:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / ১৬০৬ বার পড়া হয়েছে
দক্ষিণ এশিয়ায় কার্প জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহের অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস চট্টগ্রামের হালদা নদী। দুই দফায় ছাড়া ডিম সংগ্রহ শেষে এখন হ্যাচারিগুলোতে চলছে রেণু পরিস্ফূটনের কাজ। সংগ্রহকারীরা বলছেন, এবার ডিমের পরিমাণ কম। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, ২৫০টি নৌকা নিয়ে হালদা পাড়ের ডিম সংগ্রহকারীরা প্রায় ছয় হাজার কেজির মত ডিম পেয়েছেন।
চট্টগ্রামের হালদা নদীতে প্রতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুন পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে অমাবশ্যা বা পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ার ও ভাটার সময়ে নিষিক্ত ডিম ছাড়ে কার্প জাতীয় মাছ। নদীতে রুই, কাতাল, মৃগেল ও কালিবাউশ মাছের ছাড়া সেই নিষিক্ত ডিম বিশেষ ধরনের জাল দিয়ে সংগ্রহ করা হয়। পরে হ্যাচারিতে তা থেকে রেণুর জন্ম হয়।
গত বছর হালদা থেকে ১৪ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ হলেও এবার গেল সপ্তাহে দু’দফায় ছাড়া ডিমের মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে ছয় হাজার কেজির মতো। এরপর সংগ্রহ করা ডিম হ্যাচারিতে নিয়ে যান সংগ্রহকারীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার প্রত্যাশিত সময়ের এক মাস আগে ডিম ছেড়েছে মা মাছ। তবে জোয়ার ও ভাটার টানে ডিম ভেসে গেছে। পাশাপাশি দূষণসহ কয়েকটি কারণে নদীতে কমেছে মা মাছের সংখ্যাও।
হালদা বিশেষজ্ঞরা বলছেন পূর্ণিমা বা অমাবস্যার জো’তে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল নামলে তখন মা মাছ ডিম ছাড়ত। এবার মৌসুমের প্রথম ভারি বৃষ্টিতেই ডিম ছেড়েছে মা মাছ। তাই ডিম সংগ্রহকারীদের প্রস্তুতি ছিল কম।
আগামী মাসে অন্য কোনো জোতে মা মাছ আবার ডিম ছাড়তে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

























